সর্বশেষ সংবাদ

দেহব্যবসা সম্পর্কে ৫টি মিথ ভাঙলেন যৌনকর্মী

 

আমেরিকার নেভাদায় দেহব্যবসা আইনি। সামাজিক সমস্যাও নেই। নিজেদের পরিচয় লুকিয়ে রাখার কোনও প্রয়োজন সেখানকার দেহব্যবসায়ীদের হয় না। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং-এও তাঁরা রীতিমতো সক্রিয়। সারা গিলমোর সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয়। তিনিই বললেন পাঁচটি তথ্য তাঁদের এবং তাঁদের পেশা সম্পর্কে, যা দেহব্যবসা সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা ভেঙে দেয় অনায়াসেই।

দেহব্যবসা সম্পর্কে ৫টি মিথ ভাঙলেন যৌনকর্মী

১. মিথ হল, প্রত্যেক দেহব্যবসায়ীই মানসিকভাবে অত্যন্ত ভেঙে পড়া মানুষ— সারা বলছেন, ‘‘যাঁরা শরীর বিক্রি করছেন, তাঁদের সকলেরই একটি অতীত-কাহিনি রয়েছে। কিন্তু সে তো সকলেরই থাকে। এই পেশায় যাঁরা আসেন, তাঁরা এসেছেন বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে। একজন অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে আলাপ করা, তাঁর সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য একটা শক্তপোক্ত মন থাকে। অতীতে কেউ কোনও যৌনঅত্যাচারের মুখোমুখি হয়েছেন মানেই কি তিনি দেহব্যবসায়ী হয়ে যাবেন?’’

২. মিথ হল, হেরে যাওয়া, ভিতু মানুষগুলো বেশ্যালয়ে আসে— সারার কথায়, ‘‘অনেক সেলিব্রিটি আমাদের ক্লায়েন্ট। সরকারি আধিকারিক থেকে সেনাবাহিনীর কর্তা, হোয়াইট কলার থেকে ব্লু কলার, সকলেই এখানে আসেন।’’

৩. মিথ হল, দেহব্যবসায়ীরা অপরিষ্কার এবং যৌনরোগ ছড়ান— সারার দাবি, ‘‘নেভাদা থেকে এখনও পর্যন্ত একজনেরও যৌনরোগ ছড়ায়নি। সুরক্ষা ছাড়া সেক্স এখানে অনুমোদিত নয়। শরীরকে ব্যবসার জন্য সর্বদা প্রস্তুত রাখতে পরিচ্ছন্নতা জরুরি।’’

৪. মিথ হল, যার-তার সঙ্গেই শুতে প্রস্তুত দেহব্যবসায়ীরা— সারার যুক্তি, ‘‘প্রথমত টাকায় না-পোষালে অনেকেই ক্লায়েন্টকে গ্রহণ করেন না। আবার হয়তো এমন কেউ এল, যাকে দেখে ছিটকে যেতে ইচ্ছে করে। তেমন লোককেও আমরা ফিরিয়ে দিই। কথা বলার সময়ে যাদের আগ্রাসন প্রকাশ পায়, তাদের সঙ্গে সহবাস নৈব নৈব চ।’’

৫. মিথ হল, দেহব্যবসায়ীরা নিজেদের পেশাকে ঘেন্না করেন— সারা বলছেন, ‘‘কথাটি আংশিকভাবে সত্যি। তবে একবার এই পেশায় চলে আসার পরে সকলেই বোঝেন, এই পেশায় পেট চলছে। ঘেন্না করবেন কেন?’’



Related posts

মন্তব্য করুন