নবাবগঞ্জে ১২ বছরের কিশোরী অপহরনের ১১ দিন পর উদ্ধার

 BRAND BAZAAR এ LED / 3D/ Smart / 4K TV 65% ডিস্কাউন্ট

মোঃ নাজমুল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার, 24khobor.com

ঢাকা নবাবগঞ্জ উপজেলার, মাঝির কান্দা গ্রাম থেকে গত ৪মে ১২ বছরের ৬ষ্ঠ শ্রেনী পড়ুয়া এক কিশোরীকে অপহরন করা হয়। নবাবগঞ্জ থানা পুলিশের সার্বিক সহায়তায় গত রবিবার এস.আই ফিরুজের তত্বাবদায়কে ১১দিন পর উদ্ধার করা হয় কিশোরীকে।অপহিত কিশোরীর নাম: কবিতা আক্তার , পিতা: শেখ কবির, মাতা: রেহেনা বেগম , চারো দিকে তখন ৪র্থ ধাপের নির্বাচনের আমেজ বইছে। সবাই ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছে ৭ই মে নির্বাচন নিয়ে। এরই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অপহরন করা হয় কিশোরীকে।

নবাবগঞ্জে ১২ বছরের কিশোরী অপহরনের ১১ দিন পর উদ্ধার

পরিবারের দাবি ৪মে কবিতা প্রতিদিনের মতো তাদের বাড়ির সামনে ঝাল মুড়ি খাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। কিন্তু পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী অপহরন কারীরা (বিগটিম) সেখানে অবস্থান করে। সুযোগ বুঝে জ্ঞান হারানো ঔষধের (ক্লোরোফোম) সাহায্যে কবিতাকে অজ্ঞান করা হয় এবং বেটারি চালিত ইজিবাইক ব্যাবহার করে কোনো এক অজ্ঞাতো যায়গায় নিয়ে যাওয়া হয় কবিতাকে । সেখানে নিয়ে-৬ জন মিলে তাকে শারীরিক ভাবে নির্যাতন (রেফ) করা হয়। তার পর তাদেরকে (অপহিত পরিবারকে) স্থানীয় লোক জনের মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হয়।
এর ফলে অপহরনের অভিযোগে কবিতার পরিবার নবাবগঞ্জ থানায় ইমরান (১৮)পিতা:তমিজদ্দিন গ্রাম: পালামগঞ্জকে প্রধান আসামী করে ৬ থেকে ৭ জনের নামে নারী নির্যাতন আইনে একটি মামলা করা হয়। মামলায় বাকী আসামীরা হলেন, প্রধান আসামীর বড় ভাই মিরাজ(২৫) পিতা: তমিজদ্দিন  গ্রাম: পালামগঞ্জ , তার ভাবী রেহেনা২৮ বেগম সহ অগ্যাত ৪ থেকে ৫ জন।আসামীদের মধ্যে ২ জন কে আটক করতে সক্ষম হয় নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। দ্রুত বিচার আইনে তাদের মধ্যে একজনকে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

 

o General ac price in BangladeshCarrirer split ac price

 সেই সাথে বাদী পক্ষ মৌখিক ভাবে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহি অফিসারের কাছে পুলিশের বিরুদ্ধে আরো একটি অভিযোগ করে। তারা দাবি করে অপহরন কারি এক আসামী রেহানা বেগম কে ৩ দিন নবাবগঞ্জ কারাগারে আটকে রাখার পর ঘুসের বিনিময়ে তাকে ছেরে দেওয়া হয়।এদিকে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুর রহমান অভিযোগটি অস্বীকার করে 24khobor.com কে বলেন, আমরা আসামী রেহেনাকে আটক করার পর কয়েক ঘন্টা তাকে সেলে আটকে রাখা হয়। কিন্তু সে ছিলো অসুস্থ। ফলে তার অবস্থার অবনতির কথা চিন্তা করে তাকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেস্ক এ ভর্তি করা হয়। কিন্তু অপহিত কিশোরীকে উদ্ধারের উদ্দেশ্যে এবং বিগটিমকে ধরার জন্য বাদীর অনুমতি ক্রমে রেহেনা বেগম কে ছেড়ে দেওয়া হয় সেই সাথে বাকি আসামীদেরকে ধরার জন্য নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ অনেক তৎপর রয়েছে।


Related posts

মন্তব্য করুন