সর্বশেষ সংবাদ

সমিতির নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি, ভাড়া কমায়নি বাস মালিকরা।

BRAND BAZAAR এ LED / 3D/ Smart / 4K TV 65% ডিস্কাউন্ট

দোহারের বিভিন্ন লাইন যে সব বাস চলে তাতে অনেক অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। অারাম বাসের টিকেটের মূল্য জয়পাড়া টু ঢাকা ৯০ টাকা,নগর বাসের টিকিটের মুল্য বাহ্রাঘাট টু ঢাকা ৯০ টাকা,জয়পাড়া পরিবহন জয়পাড়া টু ঢাকা ৭০ টাকা, DNK পরিবহণ ৭০ টাকা, যমুনা মৈনট ঘাট টু ঢাকা ৯০ টাকা।

সমিতির নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি, ভাড়া কমায়নি বাস মালিকরা।

সুত্রে জানা যায় ডিজেলের পতি লিটারে সরকার ৩ টাকা দাম কমানোর পর ভাড়া কমাতে পারছেনা মালিকরা। অারও উঠে এল বেপরোয়া চাঁদাবাজির কথা। জয়পাড়া থেকে ঢাকা পর্যন্ত দিতে হয় দৈনিক হাজার হাজার টাকা। অারো জানা যায় এই রোডে নগরবাস চলে ৪০ টি,অারামবাস ২৪ টি,যমুনা ৩৬ টি,জয়পাড়া পরিবহন ১৮ টি,D,N,Kপরিবহন ১১ টি মোট ১২৯ টি গাড়ী থেকে মালিক সমিতি সভাপতি জহির বেপারী কে গাড়ী প্রতি ১৫০ টাকা করে দিতে হয় রোজ ১৯৩৫০ টাকা মাসে ৫৮০৫০০ টাকা।শ্রমিক সমিতির সেক্রেটারি সেলিম মোল্লাকে গাড়ি প্রতি ৩০ টাকা করে দিতে হয় রোজ ৩৮৭০ টাকা মাসে ১১৬১০০ টাকা।অারো দিতে হয় দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ফুলতলা,শ্রীনগর, গুলিস্তান পর্যন্ত সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগন সহ ৪/৫ জায়গায় সার্জেন্টদেরকে।

এমন অবস্হায় হিমসিম খেয়ে দূর্নীতি করছে বাস মালিকরারাও। মিনিবাস কে বানিয়েছে বাস– অার বাস কে বানিয়েছে মহাবাস। অর্থাৎ ৩০ সিটের গাড়ি (মিনিবাস) হয়েছে ৪৬/৫০ সিটের গাড়ি। ৫০ সিটের গাড়ি হয়েছেস ৫৮/৭০ সিট পর্যন্ত সিটের গাড়ি এতে বাড়তি পেশারের কারনে ড্রাইভার নিয়্ন্ত্রন হারিয়ে ঘটাতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।
অাবার কোন কোন গাড়ীর হাল এমনই নাজুক যে পিছনে গ্লাস নেই,সিট অাছে ডেলনা নাই,দুই পাশে জানালা গুলো খারাপ,বৃষ্টি থাকলে যেন গাড়িতে বসে গোসল করার সামিল।
এসব গাড়িতে ফিটনেস বলা যাবে না? এসব গাড়িকে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিনেস গাড়ী বলতে হবে। যাত্রিরা ও যেন অসহায় এমনটাই দুঃখ করে বলেন সকলে।
অারো ও যানা যায় বাসশ্রমিক – শ্রমিক সমিতির অন্তরভূক্ত হয়েও কোন শ্রমিক দূর্ঘটনার মত অাহত/ নিহত হলে কোন প্রকার সাহায্য পায়না শ্রমিক সমিতির পক্ষ থেকে।
এদিকে একাদিক মালিক পক্ষের কাছে অামাদের 24KHOBOR.COM এর বিশেষ প্রতিনিধীর ফোনালাপে জানতে চাইলে তাদের থেকে এসব তথ্য বেড়িয়ে অাসে।
তারা জিম্মি হয়ে অাছে কোন মহলের কাছে? এমনটাই বলেন। শ্রমিক সমিতির প্রতিনিধীরা ও অপ্রিয় সত্য কথার মত উক্তি যুক্তি দিয়ে বলেন এতো অনেক কথা ভাই ফোনে সব বলা যাবে না।



Related posts

মন্তব্য করুন