নৌকার সাথে গাদ্দারী করার পরও কেনো স্বপদে বহল রয়েছে নয়নশ্রী ইউপি সাঃ সম্পাদক -আকুতী পলাশ চৌধুরীর।

Ahmed Ashik's photo.

কাকের মাংস কাকে খায় না কিন্তু আওয়ামীলীগের মাংস আওয়ামীলীগ খায়। এমন একটি কথা বল্লেন ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী ইয়নিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান পলাশ চৌধুরী। গত ২২শে জুলাই জঙ্গী ও সন্ত্রাস দমন কমিটি গঠনের পূর্বে আলোচনা সভায় তিনি এমন কথা বলেন।

নৌকার সাথে গাদ্দারী করার পরও কেনো স্বপদে বহল রয়েছে নয়নশ্রী ইউপি সাঃ সম্পাদক -আকুতী পলাশ চৌধুরীর।

এমন একটি কথা বলার কারন জানতে চাইলে পলাশ চৌধুরী 24khobor.com কে বলেন আমি গত নির্বাচনে জনগনের বিপুল ভোট পেয়ে নয়নশ্রী ইয়নিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলাম। কিন্তু এবারই প্রথমবারের মত সারা দেশে দলীয় প্রতীকে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

আমি এক জন আওয়ামীলীগ কর্মী। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিলো দলের সিনিয়র নেতারা কর্মীরা আমাকে দলীয় ভাবে মনোনিত করবেন এবং তারা করেও ছিলেন।
কিন্তু কিছু স্বার্থ লোভী নেতাদের কারনে আমাকে অনেক দৌড় ঝাপ ও অনেক টাকার বিনিময়ে নৌকার প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে হয়।

তার বক্তব্যে তিনি স্পস্ট করে নয়নশ্রী ইউপি আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নান্নু মিয়ার কথা বার বার উল্ল্যেখ করেন। তিনি আরো বলেন এই নান্নু মিয়ার কারনেই আমাকে টাকা দিয়ে নৌকার প্রতীক কিনতে হয়েছে।  তবুও দলের সিনিয়র নেতা কর্মীরা আমাদের ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে ১লক্ষ টাকা আমাকে নান্নু মিয়াকে দিতে বলে।

তাদের প্রস্তাবে আমি সম্মতি জানিয়ে তাকে সত্তর হাজার টাকা দেই। এবং বাকি ৩০হাজার টাকা আমি নির্বাচনের পরে দিয়ে দিবো। কিন্তু নান্নু মিয়া দলের সিনিয়র নেতা কর্মীদের কথা উপেক্ষা করে দলের নেতা কর্মীদের সাথে গাদ্দারী করে নির্বাচনে বিভিন্ন প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমার নৌকা প্রতীকের নির্বাচন না করে নানা অজুহাতে ঢাকা গিয়ে থাকতো।

 

Click here : Vedio ……………………………….



Related posts

মন্তব্য করুন