সর্বশেষ সংবাদ

বান্দুরা হলিক্রস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষিকা শারমীন পালিয়ে বিয়ে করলেন ছাত্র অর্পণকে

ঢাকার নবাবগঞ্জে স্কুলছাত্র ও শিক্ষিকার অসম বিয়ের ঘটনা এলাকায় আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে। গত ৩ দিন আগে তারা পালিয়ে বিয়ে করেন বলে ঐ জুটির দাবি। স্কুলছাত্র অর্পণ ওরফে শুভ (১৬) বান্দুরা হলিক্রস স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থী। সে বান্দুরা ইউনিয়নের পুরাতন বান্দুরার গ্রামের ওয়াহেদুর রহমান ওরফে মঞ্জুর ছেলে। শিক্ষিকা শারমীন আক্তার সুর্বনা একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিক। তিনি পার্শ্ববর্তী হাসনাবাদ গ্রামের আব্দুল ফজলের মেয়ে। এটি তার তৃতীয় বিয়ে বলে এলাকাবাসী জানায়।

বান্দুরা হলিক্রস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষিকা শারমীন পালিয়ে বিয়ে করলেন ছাত্র অর্পণকে

স্থানীয়রা জানায়, শারমীন আক্তার সুবর্না বান্দুরা হলিক্রস স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্তব্যরত। অর্পণ ঐ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিবে। সুবর্না অর্পনের ক্লাশ শিক্ষিকা থাকায় তাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়। বিভিন্ন সময় ঐ শিক্ষিকা নানা অজুহাতে অর্পনের বাড়ীতে যাতায়াত করতো। ছাত্র-শিক্ষিকার সর্ম্পক হওয়ায় কেউ খারাপ চোখে দেখেনি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাতে প্রেমের টানে ছাত্রের হাত ধরে ঘর ছাড়লেন শিক্ষিকা। ছেলে অপ্রাপ্ত বয়সী হওয়ায় মঙ্গলবার সকালে অর্পনের বাবা নবাবগঞ্জ থানায় অভিযোগ করেন। মঙ্গলবার রাতে ঐ শিক্ষিকার বাড়ী থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ। রাতেই শিক্ষিকাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বুধবার সকালে লিখিত মুচলেকায় ছাড়া পায় অর্পন। তবে সুর্বনা ও অর্পন দাবি করেন, তারা কোর্টে বিয়ে করেছে।

এধরনের সমাজিক অবক্ষয় রোধ করার বিষয়য়ে অভিভাবকদের আরো সচেতনতার আহ্বান জানিয়ে বান্দুরা গ্রামের আব্দুর রহমান বলেন, শিক্ষিকা ও ছাত্রের সম্পর্ক হওয়ার কথা পবিত্র। কিন্তু এঘটনার পর সবার মনে একটা প্রশ্ন, ছেলে-মেয়েরা কোথায় নিরাপদ!

বান্দুরা হলিক্রস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ব্রাদার নিপুন রোজারিও বলেন, বিষয়টি জেনেছি। আমি ছুটিতে আছি। ২ জানুয়ারি আসছি।

নবাবগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনছারী জিন্নাত আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরেছে। শিক্ষিকা ও ছাত্রকে যার যার পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

 



Related posts

মন্তব্য করুন