সর্বশেষ সংবাদ

সব জেনেও নিশ্চুপ প্রশাসন নবাবগঞ্জে অবৈধ মাহেন্দ্রার রমরমা বাণিজ্য!

 স্টাফ রিপোর্টার :

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বারুয়াখালী ,জয়কৃষ্ণপুর ও শিকারীপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে দাপটে চলাচল করছে অবৈধ ভারতীয় মাহেন্দ্রা । সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এসব লাইসেন্স বিহীন গাড়ি। যাদের কারোই নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স । প্রভাবশালী একটি মহল অর্থ লোভের আশায় দীর্ঘদিন ধরে এসব গাড়ি পরিবহনের মাধ্যমে মাটি ব্যবসা করে আসছে ।

hfjehwg

যার কারনে দুর্ভগো পোহাতে হয় এ অঞ্চলের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের। । স্থানীয়দের ভাষ্যমতে ,অনিয়ন্ত্রিত ভাবে চালনার এসব মাহেন্দ্রার নেই কোন কাগজপত্র। তাছাড়া এসব গাড়ি চালকের বেশির ভাগই অপ্রাপ্ত বয়স্ক তরুণ হওয়ায় বিভিন্ন সময় ঘটছে দুঘর্টনা।তবে প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব কর্মকান্ড ঘটলেও প্রশাসন যেন অজ্ঞাত কারনেই নিরব ভূূমিকাই পালন করছে। রাস্তা ঘাট নষ্ট করে প্রভাবশালীদের এ মাটি ব্যবসা আর কত কাল চলবে নবাবগঞ্জের প্রত্যন্ত অবহেলিত পশ্চিমাঞ্চলের সাধারণ মানুষের এমনই প্রশ্ন।এ অঞ্চলের বেশীর ভাগ রাস্তা মাটির ও ইটের হওয়ার ফলে দিন রাত অবৈধ মাহেন্দ্রার অনিয়ন্ত্রিত চালনার ফলে রাস্তার দুপা’শ নিচু হয়ে হাঁটু পর্যন্ত ধুলার সৃষ্টি হয়েছে।এখন চলাচল করা প্রায় অযোগ্য হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের মানুষের। বন্ধ হতে বসেছে সব কয়েকটি রাস্তা দিয়ে চলাচল । এতে করে পথচারীদের দুভোর্গের যেন শেষ নেই । একের পর এক বেড়েই চলছে মানুষের দুর্ভোগ ।বেশীর ভাগ সময়ই দেখা যায় মানুষের ফসলী জমির ওপর দিয়ে অনয়িন্ত্রিত ভাবে এসব গাড়ী চালনার ফলে মানষের জমির ফসল নষ্ট করছে। তবুও কোন ক্ষতি পূরন দিচ্ছে না। প্রভাবশালীদের দৌরাত্বের যেন শেষ নেই।শত শত জমির ফসল নষ্ট করে দরিদ্র কৃষকদেরও ঠেলে দিচ্ছে লোকসানের মুখে । যাদের হাজার হাজার টাকার ফসলের নেই কোন ক্ষতি পূরন।এ অঞ্চলের মানুষ এর বিরুদ্ধে অভিযোগেরও শেষ নেই । তবে প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউই মুখ খুলছে না। অবৈধ জেনেও বৈধ বলে নিরবে মেনে নিচ্ছেন সব কিছু। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক জানান, ‘‘আমার ক্ষেতের আইল দিয়ে গাড়ি নিয়ে আমার কলোই নষ্ট করছে । ক্ষতিপূরণ চাইলে বলে সব কিছু ম্যানেজ করেই আমরা গাড়ি চালাই’’। অনিয়ন্ত্রিত ভাবে এসব গাড়ী চলার ফলে এক দিকে সৃষ্টি হচ্ছে শব্দ দূষণ অপর দিকে নষ্ট হচ্ছে রাস্তা-ঘাট,ফসলি জমি। রীতিমতই দুর্ভোগ পোহাচ্ছে সাধারণ জনগণ। ধূলার যন্ত্রনায় মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে সর্দি,জ্বরে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. সিজান জানান,রাস্তা দিয়ে ধূলার জ্বালায় চলাচল করা যায় না,নাক চাইপ্যে কতক্ষন থাকা যায়? নবাবগঞ্জের পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি প্রশাসন যেন দ্রুত অনিয়ন্ত্রিত ভাবে চালনার এসব অবৈধ মাহেন্দ্রা গাড়ী বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ছবির ক্যাপশন: ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় অবৈধ মাহেন্দ্রা এভাবেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায় প্রতিনিয়তই।



Related posts

মন্তব্য করুন