সর্বশেষ সংবাদ

দোহার মইনট ঘাটে পাওনা টাকা চাইতে গেলে পাওনাদারকে পিটিয়ে আহত

দোহার মইনট ঘাটে পাওনা টাকা চাইতে গেলে পাওনাদারকে পিটিয়ে আহত

 মো:আসাদ মাহমুদ

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় মইনট ঘাটে পাওনা টাকা চাইতে গেলে পাওনাদারকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনা ঘটেছে আজ বৃহঃবার সকাল ৮:০০টায়।

দোহার মইনট ঘাটে পাওনা টাকা চাইতে গেলে পাওনাদারকে পিটিয়ে আহত

উল্লেখ্য মো:বাবুল(৩৫)ও তার ছোট ভাই ইসমাঈল(২৫)চর মাহমুদ পুর ইউনিয়ন এর চর শ্রীকৃষ্ণ পুর নিবাসী,তারা গ্রীল ওয়ার্কশপের কাজ করে,তার মেজো ভাই আবুল(৪০)তার কার্তিকপুর বাজারে ‘সিজান ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ’নামে একটি গ্রীলের দোকান আছে, তাদের দুঃসম্পর্কের খালাত ভাই ও তাদের গ্রাম শ্রীকৃষ্ণ পুরের মেম্বর-সামাদ মেম্বর(৪৫) তার আওতায় প্রায় এক বছর আগে তার বাড়ীতে ও মইনট ঘাটে কিছু সরকারি সংস্কার কাজ করেন যেখানে তাদের দুই ভাই ইসমাঈল ও বাবুলের মজুরি হয় ৬.০০০(ছয় হাজার)টাকা।কিন্তু সামাদ মেম্বর দীর্ঘ এই একটি বছর যাবত বাবুল ও ইসমাঈল তাদের দুই ভাইকে এই কাজ করার মজুরীকৃত ৬.০০০(ছয় হাজার)টাকা আজ-কাল-পড়শু দেবে বলে হয়রানি করছিলেন একটি বছর যাবত।এক পর্যায়ে সামাদ মেম্বর ইসমাঈলকে টাকা চাওয়ার জন্য খুন করার হুমকি দেন বলে জানান ইসমাঈল।এতে তার মেজ ভাই আবুল ভয় পেয়ে তার দুই ভাই ইসমাঈল ও বাবুলকে পাওনা টাকা পাওয়ার আশা ছেড়ে দিতে বলেন।কিন্তু তারা তাদের ন্যায্য টাকা ছারতে নারাজ।ঠিক এমনি ভাবে সামাদ মেম্বর কে ফোন করে আজ সকালে টাকা চাইলে তিনি তাদের আজ সকাল ৮:০০ টায় তাদের তিন ভাইকে মইনট ঘাটে আসতে বলেন।পরে তারা মইনট ঘাটে আসলে সামাদ মেম্বরের নেতৃত্বে প্রায় ২০-৩০ জন লোক তাদের তিন ভাইকে চড়-থাপ্পর ও বাঁশ-কাঠ-হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে বলে জানান আহত ইসমাঈল।এ সময় গুরুতর আহত হন ইসমাঈল ও তার ছোট ভাই বাবুল।প্রায় ২০ মি: যাবত তাদের পিটানো হয়।এর কিছুহ্মন পর উক্ত স্থানের একটি পুলিশ ফেরি থেকে একজন পুলিশ কর্মমকর্তা তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পলিশ ফেরিতে নিয়ে রাখেন পরে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের প্রেরন করেন।আহত ইসমাঈল জানান”সামাদ মেম্বর মইনট ঘাটের মাছের আড়তের প্রধান,পাশাপাশি তিনি অনেক বড় হ্মমতাবান ব্যাক্তি যার কারনে মইনটের সকল লোকজন তার কথায় চলাচল করে।তাই তার বিরুদ্ধে আমরা কখনই কোনো অভিযোগ করিনি।শুধু আমাদের ন্যায্য টাকা’টা চেয়েছিলাম।কিন্তু আজকে তিনি যে আমাদেরকে তার লোকজন দিয়ে মারবে তা আগে জানলে কখনই আমরা তার কাছে টাকা নেওয়ার জন্য যেতাম না”।তবে উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দোহার থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।এ বিষয়ে দোহার থানা পুলিশ ওসি সিরাজুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান”ঘটনাটি আমরা শুনেছি, তবেএখন কোনো অভিযোগ করা হয়নি।অভিযোগ করা হলে আমরা আইনি ব্যাবস্থা গ্রহন করব”।



Related posts

মন্তব্য করুন