সর্বশেষ সংবাদ

সেবার মান বৃদ্ধি পায়নি দোহারে পৌরবাসী পৌর অধিকার থেকে বঞ্চিত


 আলীনূর ইসলাম মিশু:

নিবার্চনের পথে এগুতে পারছে না দোহার পৌরসভা। আদালতে মামলা ঝুলে থাকায় বছরের পর কাঙ্খিত নাগরিক সেবা না পেয়ে অনেকটাই ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে তারা। একটি প্রভাবশালী মহলের ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুথুই কাল ক্ষেপণ হচ্ছে। রাজধানী ঢাকার অতি নিকটে অবস্থিত প্রবাহমান পদ্মা তীরবর্তী দোহার উপজেলা। আর্থসামাজিক অবস্থা উন্নত হলেও নাগরিক জীবনযাত্রার মান বাড়েনি এখোনো। প্রবাস নির্ভর এ অঞ্চলের বাসিন্দারা বর্তমান যুগের আধুনিক সেবা থেকে বঞ্চিত। উপজেলার জয়পাড়া, রাইপাড়া, সুতারপাড়া ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের আংশিক নিয়ে ২০০০ সালে গঠিত হয় দোহার পৌরসভা এবং ২৬ সেপ্টেম্বর প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সেবার মান বৃদ্ধি পায়নি দোহারে পৌরবাসী পৌর অধিকার থেকে বঞ্চিত

এরপর সীমানার জটিলতা নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের অদৃশ্য শক্তির প্রভাব ও নামকরণ নিয়ে আদালতে মামলা থাকায় কেটে গেছে ১৩ বছর আর কোন নির্বাচন হয়নি। ২০১৩ সালে নিবার্চন ঘোষনা করা হলেও তৎকালীন একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক চক্রের প্রভাবে ভোট গ্রহণের মাত্র তিন দিন আগে মাহমুদপুরের বাসিন্দা আব্দুস সোবহান সীমানা জটিলতা নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করলে তা আবার ঝুলে যায়। তার অভিযোগ ছিলো মাহমুদপুরের যে অংশটি পৌরসভায় পড়েছে তারা নাগরিক সেবা বঞ্চিত। তাদেরকে বাদ দিয়ে পৌরসভা সীমানা নির্ধারণ করা হোক। পৌর বাসিন্দাদের দাবী আজ আমরা প্রায় ১৫ বছর ধরে আমাদের গণন্ত্রাতিক অধিকার ভোটের মাধ্যমে মেয়র ও কমিশনার নির্বাচিত করবো সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। পৌর বাসিন্দা আসলাম উদ্দিন বলেন, বর্তমানে পৌর এলাকায় নাগরিক সুবিধার বেহাল দশা। বছরের অধিকাংশ সময় চলাচলের প্রধান সড়ক গুলো খানাখন্দে ভরা থাকে। ফলে দোহারের বানিজ্যিক এলাকা জয়পাড়া বাজারে সারাক্ষন যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছে কৃষক ছাত্র-জনতা সর্বস্তরের জনগণ। রাইপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা হা.ম. আ. ওয়াদুদ বলেন, আমাদের কাছ থেকে পৌরসভাও ট্যাক্স নিচ্ছে আবার রাইপাড়া ইউনিয়ন পরিষদও ট্যাক্স নিচ্ছে । রাস্তাঘাটের উন্নয়নের কথা বললে দুই সংস্থা একে অন্যে কাছে যেতে বলেন। এখন আমরা কোথায় যাব। জয়পাড়া বাজারের ব্যবসায়ী আসালত মৃধা বলেন, দুই সংস্থার টানাহেঁচড়ায় আমরা কপোকাত। রাতের সড়ক বাতি নষ্ট জ্বলে না। অন্ধকারে চলাফেরা করতে সমস্যা হয়, জয়পাড়া বাজার একটি জনবহুল এলাকা তারপরও পৌর র্কতৃপক্ষ কেন উদাসীন বুঝি না। পৌরসভার নির্বাচনসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সর্ম্পকে পৌর মেয়র আঃ রহিম মিয়া বলেন, সুতারপাড়ার সুরুজ বেপারি, পৌর এলাকার রাহিম কমিশনার, চরলটাখোলার ডাঃ সোবান ও মো. আলী নামে বেশ কিছু ব্যক্তিবর্গ পৌর এলাকার সীমানা নিয়ে আদালতে মামলা করেছে। এটা আমার কিছুই করার নেই। আদালত সিদ্ধান্ত দিলে আমি দায়িত্ব ছাড়তে প্রস্তুত। মেয়র আরো বলেন, সড়কের বাতি নষ্ট হলে মেরামত করে দেই। বার বার নষ্ট হলে কি করার আছে। জনসাধারণ ঠিক সময়ে ট্যাক্স দিচ্ছে না। ট্যাক্স সংগ্রহ করতে গেলে আমার কর্মকর্তাদের মারতে আসে। আমার জানামতে সনদের জন্য কমিশনারগণ কোন টাকা নেয় না।



Related posts

মন্তব্য করুন