সর্বশেষ সংবাদ

নবাবগঞ্জের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার ছাত্রলীগ নেতা বাহাদুল ইসলাম সাগর

 

স্টাফ রির্পোটার

নবাবগঞ্জের শোল্লা ইউনিয়নের আওনা গ্রামের অকেজো একটি কালভার্ট নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার ছাত্রলীগ নেতা বাহাদুল ইসলাম সাগর। বিগত চেয়ারম্যান আমলে অপরিকল্পিত ব্রীজ বানিয়ে রেখেছিল সেখানে।

নবাবগঞ্জের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার ছাত্রলীগ নেতা বাহাদুল ইসলাম সাগর

যে ব্রীজটি দিয়ে কোন ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারত না ও সাধারণ জনগণের চলাচল করতে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ত। ব্রীজটি পরিকল্পনাহীন ভাবে বানানোর কারনে ব্রীজটির সাথে রাস্তার কোন সংযোগ ছিল না। সেই ব্রীজটি অকেজো ভাবে পড়ে থাকত। ব্রীজটি যে অবস্থায় ছিল সেখান দিয়ে রাস্তা বানানোর মত কোন উপায় নেই এখনো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, শোল্লা ইউনিয়নের প্রতন্ত গ্রাম থাকলে সেই গ্রাম হলো আওনা গ্রাম। যে গ্রামের বাইপাস রাস্তাগুলোর লাগেনি কোন উন্নয়নের ছোয়া। আওনা থেকে কোমরগঞ্জের যে রাস্তাটি হয়েছে সেইখানে প্রতিটা ব্রীজ ঝুঁকিপূর্ণ। বর্তমান সরকারের আমলে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ আসলেও রাজনৈতিক জটিলতা এর কারনে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। যেরূপ এই ব্রীজটি নিয়ে চলছে রাজনৈতিক শত্রুতা। আমরা এই এলাকার জনগণ শুনতে পেরেছি যে এইখানে একটি ব্রীজ এর টেন্ডার  পাস হয়েছে। এই নতুন ব্রীজটির কাজ নিয়ে কিছু মহল ভাল কাজের বাধাগ্রস্ত করছে। সেটা না পেরে এখন সাধারণ জনগণকে হয়রানী করছে। আমরা চাই ব্রীজটি যাতে ওখান দিয়েই হয় কিন্তু একটু পরিকল্পনা করে কালভার্ট তৈরী করা হয়। এটা যেন মূল রাস্তার সাথে সংযোগ থাকে আর প্রশস্ত হয়। সুতরাং গাড়ি ও মানুষ চলাচলের জন্য এবং ওখান দিয়ে একটা রাস্তা বের হবে যেটা ঐ গ্রামের একমাত্র রাস্তা।

আর প্রাক্তন চেয়ারম্যান এর বাড়ির উপর দিয়ে রাস্তা থাকায় সে বাড়ির লোকজন বিভিন্ন সময়ে সমস্যার সম্মুখীন হউন তাই বাড়িটির নিরাপত্তার স্বার্থে রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তাই এই এলাকার জনগণ প্রচন্ড দুর্ভোগের তৈরি হয় সে কারনে এটাই এলাকার একমাত্র চলাচলের উপযোগী কালভার্ট সহ রাস্তা সুতরাং এটা ছাড়া বিকল্প রাস্তা নেই প্রায় ১০০ পরিবারের। পুরাতন ব্রীজটি কিছুদিন আগে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। আর ব্রীজটি এর রডগুলো পাশে রাখা হয়েছিল যাতে ব্রীজ এর কোন মালামাল ক্ষয়ক্ষতি না হয়। এই রডগুলো ঐখানে রাখার কারনে একটি কুচক্র মহল কালভার্টটি অন্য রাস্তা দিয়ে নেওয়ার জন্য ঐ গ্রামের রিপন ভূইয়া নামক এক ব্যাক্তি উপজেলা প্রশাসনের কাছে মিথ্যা অভিযোগ দেয়। অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা বাহাদুল ইসলাম সাগর ও কিছু লোক নিয়ে তিনি রাতের আধারে ৩০ মণ রড বিক্রি করে দিয়েছেন বলেন কদম আলী।আমাদের অত্র অঞ্চলের মধ্যে কদম আলী নামে কোন ব্যক্তি নেই, যে তথ্য গুলো দেওয়া হইছে সব গুলো ই মিথ্যা অভিযোগ ও অসমানযশ্য!যেমন এক রাতে ঐ ব্রীজ টি ১০/১২ জন লোক নয় ১০০জন কে নিয়েও সম্ভব নয়!আর একটা ব্রীজে ৩০টন রড থাকে না। প্রাক্তন চেয়ারম্যান এর বাড়ির উপর দিয়ে সর্বস্তরের চলাচলের নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং রাস্তা টি তাদের বাড়ির নিরাপত্তার রক্ষায় দেয়াল দেওয়াতে চলাচলের জন্য এলাকার লোকজনের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে । এ ব্যাপারে বাহাদুল ইসলাম সাগর বলেন, এলাকার একটি কুচক্রী মহল আমাকে রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত ভাবে হ্যয়ো প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে চরম অসত্য তথ্য দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করিয়েছেন। তিনি আরোও বলেন মূলত জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কে বাধাগ্রস্ত করার জন্যেই এই অপপ্রয়াস, তিনি বলেন রাতের অন্ধকারে ১০/১২ জন লোক নিয়ে একটি ব্রীজ ভেঙ্গে ৩০টন রড সরানো সম্ভব নয়। যিনি এই অভিযোগটি করেছেন তিনি এই এলাকায় একজন চিহ্নিত মাদক সেবী, টাকার বিনিময়ে এই এলাকায় সাধারণ মানুষের জমাজমির দখল থেকে শুরু করে মিথ্যা মামলা সাজিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন পত্রিকায় কদম আলী নামে যে ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে- আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি- অত্র অঞ্চলে কদম আলী নামে কোন ব্যক্তির অস্তিত্ব নেই, একই মহলের দুজন ব্যক্তি ফেজবুকে তাদের তোলা ছবিসহ একটি পোস্ট করেছেন। এতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে দিনের আলোতে কিছু সংখ্যক লোক ব্রীজটি ভাঙ্গার কাজ করছেন। কে বা কাহারা ভাঙছেন সেটা আমি জানি না, তবে খবর নিয়ে যেটুকু জানতে পেরেছি-ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজটি সরিয়ে নতুন একটি কালভার্ট নির্মাণের কাজ চলছে। আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে তাদের আমি দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই। সাবিনা আক্তার তুহিন এমপি বলেন, চক্রান্ত করে কেউ কিছু করতে পারবে না ঠিকাদার তার কাজ করছে এতে কার কি আসে যায় ।নতুন টেন্ডার হয়েছে পুরনো অকেজো চলাচলের অনুপযোগী ব্রীজ ভেঁঙ্গে নতুন করে ব্রীজ করবে ঠিকাদার। আওনার উন্নয়নের জন্য কোন কুচক্র মহল উন্নয়নের ব্যাঘাত ঘটাতে পারবে না। উপজেলা প্রকৌশলী এলজিইডি শাজাহান বলেন, অভিযোগ পেয়ে আমরা তাৎক্ষনিক ভাবে ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণে গেছিলাম। সেখানে ব্রীজ এর সব মালামাল আমরা বুঝে পেয়েছি। সেখান থেকে কোন ধরনের রড খোয়া যায়নি। আমরা ব্রীজ এর সব রড শোল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান তুহিনুর রহমান তুহিন এর কাছে জিম্মায় রেখে আসছি। বাহাদুল ইসলাম সাগর এর উপর যে অভিযোগ আনা হয়েছে সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

 

 



Related posts

মন্তব্য করুন