‘মুক্তিযুদ্ধের সময় ধর্ষণও গণহত্যার শামিল

Image may contain: text

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ মো. হুসাইন ও মোসলেম প্রধানকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ে মুক্তিযুদ্ধকালীন ধর্ষণ ও গণধর্ষণকে গণহত্যার মতো অপরাধ বলা হয়। রায়ে অপরাধের কোন মামলার এই প্রথমবারের মতো মুক্তিযুদ্ধকালীন ধর্ষণ ও গণধর্ষণকে গণহত্যার সমান অপরাধের স্বীকৃতি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

'মুক্তিযুদ্ধের সময় ধর্ষণও গণহত্যার শামিল

আজ বুধবার রায়ের পর এরকম স্বীকৃতিকে ‘অসাধারণ সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মামলার প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ।

রায় পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, এই প্রথম মানবতাবিরোধী অপরাধের কোন মামলার রায়ে যুদ্ধকালীন ধর্ষণ ও গণধর্ষণকে গণহত্যার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং আসামীদের বিরুদ্ধে এ সংক্রান্ত অভিযোগটিতে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৩ নভেম্বর হুসাইনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়। ওই অভিযোগ তদন্তের সময় মোসলেম প্রধানের নাম আসে। এরপর ট্রাইব্যুনাল তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

২০১৫ সালের ৭ জুলাই মোসলেমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০১৫ সালের ৩ ডিসেম্বর দু’জনের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে তদন্ত সংস্থা।

২০১৬ সালের ৯ মে মাবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিচার শুরু করেন।



Related posts

মন্তব্য করুন