দোহারে কার্তিপুর অগ্রণী ব্যাংকে বিদ্যুৎ বিল জমা নেওয়া বন্ধ করায় তিনটি ইউনিয়নের হাজারো গ্রাহকের ভোগান্তি।

 ঢাকা জেলা দোহারের অগ্রনী ব্যাংক নয়াবাড়ী ইউনিয়নের আন্তা-বাহ্রা শাখায় এবং বর্তমান কার্তিকপুর বাজার শাখার ম্যানেজার আশরাফুলের নির্দেশে বিদ্যুৎ বিল জমা নেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

দোহারে কার্তিপুর অগ্রণী ব্যাংকে বিদ্যুৎ বিল জমা নেওয়া বন্ধ করায় তিনটি ইউনিয়নের হাজারো গ্রাহকের ভোগান্তি।

  এলাকার তিনটি ইউনিয়নের হাজারো গ্রাহকগন সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ইউনিয়ন গুলি হচ্ছে নয়াবাড়ী,কুসুমহাটী ও মাহমুদপুর ইউনিয়ন। এই ৩টি ইউনিয়নে প্রায় ৫০০০ হাজার লোকের বসবাস।গত ১১ মে বৃহস্পতিবার শত,শত গ্রাহক বিদ্যুৎ বিল জমা দিতে আসেন বর্তমান কার্তিকপুর বাজার শাখার অগ্রণী ব্যাংকে। তাদের বিল পরিশোধের শেষ তারিখ ও বৃহস্পতিবার অর্ধেক কার্যদিবস হওয়াতে এবং শুক্র,শনি কার্যদিবস বন্ধ থাকায় অনেক মহিলা ও পুরুষ গ্রাহকগন নিজ নিজ কাজ শেষে দুপুরে আসেন ব্যাংকের একাউন্ট থেকে এবং বিদেশ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে জমা হওয়া টাকা উত্তোলন করে যার যার বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার জন্য আসেন।গ্রাহকগন যখন জানতে পারেন বিদ্যুৎ বিল জমা নেওয়া বন্ধ তখন চরম বিপাকে এবং হয়রানির শিকার হন পুরুষ ও মহিলা গ্রাহকগন। অনেকের সময় সংকলনে বেশীর ভাগ গ্রাহক কাউমাউ ও চেঁচামেচি শুরু করে দেয়।অনেকে ছুটতে থাকে দোহারের প্রানকেন্দ্র জয়পাড়ার শাখা গুলোতে। উল্লিখিত পরিস্হিতির কথা জানতে পেরে 24khobor.com এর স্হানীয় প্রতিনিধি সরজমিনে গিয়ে জানতে পারে এই অভিযোগ এবং জানতে পারে আরো অনেক কিছু।

প্রথমে ম্যানেজার আশারাফুলক না পাওয়ায় তাহাকে 01819412942 নাম্বারের মুটোফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয়টি জানতে পেরে বলেন, আমি দোহারে বিশেষ কাজে বাহিরে আছি। টেলিফোনে কিছু বলতে পারবো না।তার পর স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ এবং এসআই জাবেদ তার 01912492720 নম্বরে ফোন করে গত ৯ মে মঙ্গলবার দুপুরে ঘটে যাওয়া ঘটনা জানতে অনেক চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।অগ্রণী ব্যাংকের কার্যালয়ে গ্রাহকের উপস্থিতি বেশী হলে দীর্ঘ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে বিল জমা করতে হয়। পরের দিন ছুটি থাকায় গ্রাহকের মধ্যে তাড়াহুড়া পরিলক্ষিত হয়।এর মধ্যে একজন গ্রাহক নিজেকে অসুস্থ্য দাবী করে ক্যাশিয়ারকে তার বিলটি আগে নেওয়ার অনুরোধ জানালে তা গ্রহন করেন।কিন্ত লাইনের অন্যরা তা মেনে নিতে না পারায় শুরু হয় হট্টগোল।একপর্যায় ম্যানেজার আশরাফুল সিসি ক্যামেরায় দেখতে পেরে তেরে এসে ব্যাংকের কেচিগেট বন্ধ করে দিলে গ্রাহকরা তাহাকে লাঞ্চিত করলে তিনি পুলিশকে খবর দেয় এবং বিদ্যুৎ বিল নেওয়া বন্ধ করে দেন।মাহমুদপুর পুলিশ ফাঁড়ী কর্তব্যরত এসআই জাবেদ তার সংঙ্গীয় ফোর্স সাথে নিয়ে এসে পরিস্থিতি সামাল দেন এবং ব্যাংকের কাজের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনেন।বিচার না হলে বিদ্যুৎ বিল নেওয়া হবে না বলে জানান আশরাফুল।নাম বলতে অনইচ্ছুক এক কর্মকর্তা এসব তথ্য বলেন। ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার মোঃ ফারুক তিনি বলেন আমাদের একজন ক্যাশিয়ার সব কিছুই তার একা করতে হয়। দীর্ঘদিন যাবত ব্যাংকের নিরাপত্তারক্ষী শহিদকে দিয়ে বিদ্যুৎ বিল জমা নেওয়ার কাজ চালাইয়া নিতেছি। প্রশ্ন করা হলে এব্যপারে উপরের কর্মকর্তা জানেন কিনা এবং ব্যাংকের নিরাপত্তা ভঙ্গ করে ক্যাশিয়ার বানিয়ে কাজ করার অনুমতি ও কতটুকু আইনসম্মত এবিষয়ে জানতে চাইলে ফারুক এরিয়ে যান। অভিযোগ আসে বিলে সীলমোহর ও স্টাম্প না থাকায় সুধু লাল দাগ থাকায় অনেকের ডাবল বিল জমা করতে হয়েছে। বর্তমান ম্যানেজারকে বলে কোন বিচার বা সমাধান পাননি এমন অভিযোগ অনেক।

কয়েকজন নারী পুরুষ গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন আজ বৃহস্পতিবার আমরা টাকা উঠাইয়া বিদ্যুৎ বিল সহ সব কাজ একসাথে করার জন্য মাসে একবার ব্যাংকে আসি। এখানে একটা ব্যাংক, আর আমাদেরও একটা একাউন্ট, এই বিদ্যুৎ বিলের জন্য জয়পাড়া যাওয়া সবমিলিয়ে কস্টকর। এক মহিলা বলেন বাবা গরমের মইধ্যে এই ছোট বাইচ্চা নিয়া ক্যমনে যাই জয়পাড়া। আমার একশো টেকা ভাড় কে দিবো? ফরিদ নামে একজন বলে আমরা মাসেরটা মাসে করি এই মিনাজার জানেনা এইডা গিরাম?গিরামের মানুষ কি রোজ রোজ ব্যাংকে আসে?আমরা রোজ আনি রোজ খাই।ওনার সাথে কার কি অইছে তাইতে আমাগো সবাইরে কস্ট দিবোনি। ওনার বিচার আমরা কি করুম।এই ভাবে অনেক গ্রাহক তাদের কস্টের কথা বলেন।



Related posts

মন্তব্য করুন