সর্বশেষ সংবাদ

হাজারো প্রশ্নের মুখে কুসুমহাটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান

 

 

No automatic alt text available.

আয়েশা সিদ্দিকী, 

ধারাবাহিক-১

ঢাকার দোহার উপজেলা একটি সুপরিচিত ও অর্থনৈতিক ভাবে আলোচিত উপজেলার নাম। রাজনৈতিক স্থীতিশীল এবং ভদ্রসুলভ আচরনে দেশ জুরে সুনামও রয়েছে দোহার বাসীর। এ সম্ভ্রান্ত এলাকাটির যেমন সুনাম রয়েছে তেমনি রয়েছে দূর্নামও। যেমন অল্প কিছুদিন আগের ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা যা সারা বাংলাদেশে সাড়া ফেলে দিয়েছিল।

হাজারো প্রশ্নের মুখে কুসুমহাটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান

যে ঘটনার জন্য বহিরাগত অনেক লোকজন দোহারকে হজ্জ বাবার এলাকা নামেই বেশি চিনে। ঘটনাটি ঘটার সাথে সাথে উপজেলা প্রশাসন,থানা প্রশাসন সহ সাধারন মানুষ ভন্ড মতিউর রহমানের হজ্জের নামে সাধারন মানুষকে ধোকা দেবার ও ধর্মীও অনুভূতিতে আঘাত হানার আস্তানা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়। প্রশাসনের এ শক্ত হাতের ন্যায় বিচারকে সাধারন মানুষ খুব ভালভাবে মেনে নেয়। তারপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম আল-আমীন ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম (পি, পি, এম) এর প্রচেষ্টায় দোহারে মাদকের ভয়াবহতা অনেকটা নিয়ন্ত্রনে চলে আসে।তারা তাদের এই ক্ষমতার সু-ব্যাবহার করে যেখানে দোহারের অনেক অন্যায়ককে ধ্বংস করে দিচ্ছে সেখানে কিছু অসাধু ব্যাক্তি ভাল মানুষের মুখোশ পরে ক্ষমতা হাতে রেখে লোক চোখের আড়ালে তার অপব্যাবহার করছে। আর তারই এক জ্বলন্ত প্রমান দিলেন কুসুমহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান “আমজাদ হোসেন আজাদ”। গত ২৯/০৫/২০১৭ তারিখে 24KHOBOR.COM এর একটি টিম কুসুমহাটি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদের সাথে তারই এলাকার মেয়েলি ক্রাইম সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে গেলে প্রথমেই তিনি 24KHOBOR.COM এর স্টাফ রিপোর্টার ও দোহার প্রতিনিধির কাছে থেকে জোড় পূর্বক মোবাইল ফোন সহ ক্যামেরা নিয়ে নেয় যেনো তার কোন কথা রেকডিং বা ভিডিও ধারন করতে না পারে এবং তিনি উক্ত টিমকে বলেন এ নিউজের বিষয়ে অনুসন্ধান বা কথা বলার কোন দরকার নেই। তিনি আরো বলেন, যে মেয়েকে নিয়ে আপনারা অভিযোগ করেছেন সেই মেয়ে আমার আত্মীয় তার প্রতি আমাদেরও একি অভিযোগ তবুও এ বিষয়ে কোন  নিউজ করার দরকার নেই। আপনারা এ বিষয়টিতে মাথা না ঘামিয়ে মাদকের উপরে লিখুন উপজেলা পৌরসভায় যে সমস্ত ক্রাইম হয় তা নিয়ে লিখুন। সব বিষয়ে মাথা ঘামাতে নেই। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নানা মানুষের নানান ধরনের অভিযোগ চেয়ারম্যান আজাদকে ঘিরে এবং তিনি বিয়ের নামে ফুপাত বোনকে দিয়ে প্রতারনার ফাদেঁ ফেলছে প্রবাসী যুবকদের বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে, এম, আল-আমীন বলেন, তিনি যা করেছেন তা মোটেও আমাদের কার্ম নয়। আমি তাকে সহ ওই ইউনিয়নের ওয়ার্ড চেয়ারম্যান দের ডেকে এ বিষয়ে সচেতন করবো যেন ভবিষ্যৎ এ এধরনের অপৃতিকর ঘটনা না ঘটে। উক্ত বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগির হোসেনকে প্রশ্ন বিদ্ধ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখ জনক। সংবাদ কর্মীদের সাথে ভাল সম্পর্ক রেখে তাদের কাছে সহযোগিতা করা উচিৎ ছিল তার। কিন্তু তিনি তা না করে তাদের সাথে অসাধু আচরন করে খুবই খারাপ করেছেন তার এমন কাজ আমাদের কারোই কাম্য নয়। একই প্রশ্নের তীর এ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপিকে বিদ্ধ করা হলে তিনি বলেন, অবশ্যই তিনি কাজটি ঠিক করেননি,তার উচিৎ ছিল সংবাদ কর্মীদের সহায়তা করা। কিন্তু তিনি যা করেছেন তা নিতান্তই ঠিক নয়। একজন চেয়ারম্যান যিনি একটি নির্দিষ্ট এলাকার অভিভাবক,তিনি যদি একজন সংবাদ কর্মীর সাথে এমন আচরন করেন তবে সাধারন মানুষ তার কাছ থেকে কেমন আচরন পাবে তা প্রশ্নের অপেক্ষা রাখে না।

Save



Related posts

মন্তব্য করুন