সর্বশেষ সংবাদ

সীমা না ছাড়ানোর আহ্বান মাশরাফির

বাংলাদেশি সমর্থকেরা এরই মধ্যে আলাদা নজর কেড়েছেন। ছবি: এএফপিআজ ভারতের শীর্ষ অনলাইন পত্রিকাগুলো অভিন্ন একটি সংবাদ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের এক সমর্থকের ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট দিয়ে। যেখানে এক কুকুরের গায়ে ভারতের জাতীয় পতাকা; যা একটি দেশের জাতীয় পতাকার অবমাননা। এই সূত্র ধরে দেশটির সংবাদমাধ্যম এমনভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে, বাংলাদেশের প্রায় সব সমর্থকই সামাজিক মাধ্যমে এমন কদর্যভাবে আক্রমণ করছে ভারতকে। টুইটার বা ফেসবুকে ভারতের সমর্থকেরা কী করছেন, তার উল্লেখ নেই।

আজ মাশরাফির সংবাদ সম্মেলনেও কলকাতার বাংলা পত্রিকার একজন সাংবাদিক প্রশ্নটা করলেন বাংলাদেশের সমর্থকদের সূত্র ধরে। মাশরাফি তাঁর নিজ দেশের সমর্থকদের ব্যাপারেই শুধু বলতে পারেন। আর অধিনায়ক তাঁর ভক্তদের আহ্বান জানালেন, সবাই যেন ধৈর্য ধরে। যদিও মাশরাফির কণ্ঠে অসহায়ত্ব ঝরল, সীমা না ছাড়ানোর অনুরোধ অতীতে কাজ হয়নি বলেই অভিজ্ঞতা তাঁর।
মাশরাফি বললেন, ‘এগুলো আসলে খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এগুলো আমাদের কারও কাম্য নয়। দিন শেষে এটা তো শুধু খেলাই। তবে এখান থেকে বসে যেটাই বলি না কেন বা অন্য দলের অধিনায়ক (তাঁর সমর্থকদের) যা বলুক না কেন; তাতে কাজ হয় না। আগেও দেখেছি। সবচেয়ে ভালো হচ্ছে ক্রিকেটারদের এসবে মন না দেওয়া। নিজের খেলাটা ঠিকভাবে খেলা। এর বাইরে আসলে কিছু করারও থাকে না।’
বাংলাদেশ দল এখন বড় হচ্ছে। এ ধরনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে এখন মানিয়ে নিতে হবে সবাইকে। অধিনায়ক বললেন, ‘যখন গ্রুপ পর্যায়ে ছিলাম, তখনো বলেছিলাম, কাজটা অনেক কঠিন হবে। আরও এগিয়ে যেতে হলে আরও কষ্ট করে যেতে হবে। সাধ্যমতো চেষ্টা করব আমাদের সেরাটা দিয়ে খেলার। তবে ফল কার পক্ষে যাবে বলা কঠিন। মাঠে যারা ভালো খেলবে, তারা জিতবে। অবশ্যই বলব ধৈর্য ধরতে। বাংলাদেশের ক্রিকেট সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরাও কালকে চেষ্টা করব সেরাটা খেলার।’
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম যেহেতু শক্তিশালী, বিশেষ করে তাদের ইংরেজি গণমাধ্যম; এর সুবাদে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে এই খবরগুলো। বাংলাদেশি সমর্থকদের এমনিতে দারুণ সুনাম আছে বিশ্ব ক্রিকেটে। সেই সুনাম রক্ষার দায়ও এখন সমর্থকদেরই। কয়েকজনের জন্য বাকিদের গায়েও যে পড়ছে কালো দাগ!



Related posts

মন্তব্য করুন