সর্বশেষ সংবাদ

ভারতকে বাঁশ দেওয়ার জন্য আমরা রেডি। দোহার নবাবগঞ্জে মাঠের বাইরেও উত্তাপ চলছে ভারত বধের

 

আলীনূর ইসলাম মিশু:

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাঁচা-মরার ম্যাচে ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়েও বাংলাদেশ ম্যাচ জিতে নেয়। সারা বাংলাদেশের কোটি প্রাণের ভক্ত এর মত দোহার নবাবগঞ্জের প্রতিটি বাড়িতে,গাড়িতে,চা দোকানে,আড্ডায়, বিদ্যালয় ও কলেজে বেড়ে গিয়েছে।

ভারতকে বাঁশ দেওয়ার জন্য আমরা রেডি। দোহার নবাবগঞ্জে মাঠের বাইরেও উত্তাপ চলছে ভারত বধের

‘সবার প্রত্যাশা অনেক উপরে। প্রতিটি মানুষ বাংলাদেশকে ফাইনালে দেখতে চাই।’ দু’ দেশের মাঠের লড়াইয়ের ফলাফল কী হবে, তার উত্তর দেবে সময়। কিন্তু খেলার আগেই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে পাড়া-মহল্লায় এমনকি কলেজ প্রাঙ্গনে। ভারতকে বধ করার জন্য মাশরাফি বাহিনীরা ছক আকছেন। ঠিক তেমনি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ ভারত কে কথিত ভাষায় বাশ দেওয়ার জন্য মেতে উঠেছে। দোহার নবাবগঞ্জ কলেজে প্রাঙ্গনে এ তেমনি একটি চিত্র। তাদের ভাষ্য ভারতকে বাম্বু দেওয়ার জন্য আমরা রেডি। আপনি রেডি তো? তারা বলে বিগত বছর ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাথে যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে বা করবে সকল কিছু অবসান ঘটিয়ে কাল বিজয় ছিনিয়ে এনে ভারত কে বধ করে বাংলা বাশ দেওয়া হবে তাদের। এক সময়ে খুব সহজেই বাংলাদেশকে হারাত ভারত। ছবিটা বদলে গিয়েছে ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ থেকে। সেবার ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ থেকে ‘টিম ইন্ডিয়া’কে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল। বাংলাদেশের কাছে নাস্তানাবুদ হতে হয়েছিল সৌরভ-সচিনদের। ২০১১ বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে হেরে যায় বাংলাদেশ। ২০১৫-র বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ফের মুখোমুখি হয় ভারত-বাংলাদেশ। ম্যাচের আগেই জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখানো হয় ‘জিতেগা ভাই জিতেগা, ইন্ডিয়া জিতেগা’। এ হেন বিজ্ঞাপন মেনে নিতে পারেননি তদানীন্তন বাংলাদেশের আইসিসি প্রেসিডেন্ট মুস্তাফা কামাল।


তিনি নিজে আইসিসি-র সিইও ডেভিড রিচার্ডসনকে ডেকে এই বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে বলেন। তার পরেও তা বন্ধ হয়নি। মাঠের ভিতরেও ছড়ায় উত্তাপ। রুবেল হোসেনের বলে ক্যাচ তুলেও বেঁচে যান রোহিত শর্মা। রি প্লেতে দেখা যায়, বলটি কোমরের নীচেই ছিল। বাউন্ডারি লাইনের উপরে দাঁড়িয়ে মাহমুদুল্লাহর ক্যাচ নিয়েছিলেন শিখর ধাওয়ান। তা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। বিশ্বকাপের পরেই বাংলাদেশ সফরে যায় ভারত। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মহেন্দ্র সিংহ ধোনির দল হেরে বসে ১-২-এ। প্রথম দু’টি ম্যাচ ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজের সৌজন্যে জিতে নেয় বাংলাদেশ। এই সিরিজে মুস্তাফিজকে ধাক্কা মেরে ব্যাপক সমালোচিত হন ধোনি। ২০১৬ সালে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বেঙ্গালুরুতেও ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচটি উত্তাপ ছড়িয়েছিল। জেতা ম্যাচ মুশফিকুর রহিমরা ছুড়ে দিয়ে চলে আসেন। ১ রানে ম্যাচ জেতে ভারত। এবার বিশ্বকাপ নয়, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। ভারতের প্রাক্তন ওপেনার বীরেন্দ্র সেবাগ ভারতকে আগেভাগেই সেমিফাইনাল ও ফাইনালের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশকে ধর্তব্যের মধ্যেই রাখেননি সেবাগ। আমরা সবাই ভারত বধের অপেক্ষায় রইলাম।

Save



Related posts

মন্তব্য করুন