সর্বশেষ সংবাদ

নবাবগঞ্জের বান্দুরা ইউনিয়নে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা

 

ঢাকার নবাবগঞ্জের সোনিয়া আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী সামছুদ্দিন পলাতক রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের হাসনাবাদ গ্রামের এলবার্ট গমেজের বাড়ী থেকে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে।

নিহত সোনিয়া বেগম সমসাবাদ গ্রামের মো. মহসিন এর মেয়ে। অভিযুক্ত নিহতের স্বামী সামছুদ্দিন উপজেলার যন্ত্রাইল গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তারা হাসনাবাদের ঐ বাড়ীতে ভাড়া থাকতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সামছুদ্দিন ক্লিনিকের ব্যবসা করেন। সোনিয়া তার দ্বিতীয় স্ত্রী। এর আগে সোনিয়ার আরো তিনটি বিয়ে হয়েছিলো। সামছুদ্দিন ৩/৪ বছর আগে ক্লিনিকের নার্স সোনিয়াকে বিয়ে করে হাসনাবাদ ভাড়া থাকতেন। বিভিন্ন কারণে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে সামছুদ্দিন তার চাচা শ্বশুর সুলতান মাহমুদ ফোন দিয়ে বলেন, ৪/৫ জন দুর্বৃত্ত ঘরে ঢুকে সোনিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। ভয়ে তিনি পালিয়ে এসেছেন। এরপরই তিনি মোবাইল বন্ধ করে ফেলেন। নিহতের পরিবার পুলিশকে ঘটনাটি জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে সোনিয়ার ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহতের মা সেলিনা বেগম অভিযোগ করেন, সামছুদ্দিন নিজেই সোনিয়াকে হত্যা করে এখন পালিয়েছে। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. কামরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সোনিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী সামছুদ্দিন পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

 

Save



Related posts

মন্তব্য করুন