সর্বশেষ সংবাদ

ঢাকা-বান্দুরা সড়কের যাত্রীদের ভোগান্তী চরমে যানজট ও খানাখন্দ রাস্তা


 

 

আলীনূর ইসলাম মিশু:

নবাবগঞ্জ বান্দুরা সড়কে জনদূর্ভোগ কমছে না। প্রতিদিনই এ সড়কের বক্সনগর ও বাগমারায় প্রায় ১কি.মি রাস্তায় যানজট লেগেই থাকে। যার ফলে সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ। বৃষ্টির কারণে গর্ত ও খানাখন্দে পানি জমে গাড়ীর চাকা আটকে গিয়ে তৈরী হচ্ছে প্রত্যাহ যানজট।

ঢাকা-বান্দুরা সড়কের যাত্রীদের ভোগান্তী চরমে যানজট ও খানাখন্দ রাস্তা

মাঝে মাঝে লোক দেখানো কিছু সংস্কার কাজ হলে সড়কটির বিভিন্ন অংশজুড়ে সারাবছর খানাখন্দ ও পানি জমে থাকে। ফলে সড়কটিতে প্রতিনিয়ত যানজট এখন এই অঞ্চলের যাত্রী সাধারণের কাছে অতিপরিচিত একটি বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। অন্ত:হীন দুর্ভোগ এখন বান্দুরা ঢাকা সড়কের যাত্রীদের নিত্যসঙ্গী। স্থানীয়দের দাবী, শুধু নবাবগঞ্জ ও দোহারের অধিবাসীরাই নয় পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর ও মুন্সিগঞ্জের জেলার হাজার হাজার মানুষ নবাবগঞ্জের এই সড়ক দিয়ে ঢাকাসহ আশে পাশের এলাকা গুলোতে যাতায়াত করে তারপরও সড়ক কর্তৃপক্ষ উদাসীন তা বুঝতে পারছি না। সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির বান্দুরা বাস টার্মিনাল এলাকা, নবাবগঞ্জ বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন সড়ক, বাগমারা বাজার,দীঘীরপাড়, বর্ধনপাড়া বাজারসহ বক্সনগর এলাকার সড়কের অধিকাংশ স্থান জুড়ে খানাখন্দ ও গর্ত তৈরী হয়েছে। চলমান বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে যার কারনে যানবাহন গুলো স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না । সকাল ৮ থেকে সন্ধ্যা ৭ পর্যন্ত যানজট লেগে থাকছে। এ অবস্থায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে প্রতিদিন ৷ টিকরপুরের স্থানীয় বাসিন্দা আবুবক্কর সিদ্দিক বলেন, দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে গেলেও সরকারে এই সাফল্য আমাদের এলাকায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) কর্মকর্তাদের বিমাতা সূলভ আচরণের কারণে ব্যাহত হচ্ছে। ওই সব কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। এলাকাবাসী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং দোহার নবাবগঞ্জের সাংসদ অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। যাতে দ্রুত সময়ে এ রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করে তোলা হয়। নবাবগঞ্জে বক্সনগর থেকে টিকরপুর, খারশুর পর্যন্ত প্রায় ১০/১১ কিলোমিটার রাস্তার দীর্ঘ দিন সংস্কার কাজ না হওয়ায় কোমরগঞ্জ বাজার, ঋষিপাড়া পাঠানকান্দা গাজীখালী, আগলা বাজার ও আগলা পোস্ট অফিস থেকে খারশুর পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার সড়কের ২০/২৫ টি স্থানের অবস্থা খুবই নাজুক। ধীরগতিতে গাড়ি চলার ফলে রাতে অনেক সময় ডাকাতের কবলে পড়ে সর্বস্ব খোয়াতে হচ্ছে। তাই বর্তমানে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করাটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ঢাকা রেঞ্জের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সৈয়দ আলম বলেন, একনেকে বরাদ্ধ পাস না হলে আমাদের জোড়াতালি দেয়া ছাড়া কিছুই করার নেই।

 

 



Related posts

মন্তব্য করুন