অবশেষে নিজের কুকীর্তির জন্য ক্ষমা চাইলেন ভন্ড ফকির মহিনউদ্দিন”


আয়েশা সিদ্দিকীঃ

ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার সৈয়দপুর গ্রামে গত বুধবার ভন্ড ফকির মহিনউদ্দিনের বাড়ি ভাংচুর করা হয়। ভন্ড ফকির মহিনউদ্দিনের কুকীর্তি ও ধর্ম বিরুদ্ধী কথা বার্তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ হয়ে তার বাড়িতে ভাংচুর চালায়।

স্থানীয় একাধিক যুবক জানান, মহিন ফকির প্রথমে মহিলাদের কাছে বিশ্বস্ততা অর্জন করতেন। এরপর কৌশলে তাদের সাথে যৌন মিলন করতেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী মহিলাদের ভয় দেখিয়ে একাধিকবার যৌন মিলনে বাধ্য করতেন।  প্রতিবেশি হেনা বেগম বলেন, মহিন ফকির দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। তার কাছে আসা রোগিরা বেশিরভাগ মহিলা। আগে বৃহস্পতিবার তার দরবার শরীফে জলসা বসলেও এখন বসে না।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা নাগাদ এলাকাবাসী ও স্থানীয়রা গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করেন। জীবনে আর কখনো ঝাড়ফুঁক বা জলসার নামে ভন্ডামী ও নোংরামি কাজ করবেন না বলে তওবা করে ক্ষমা চান ভন্ড ফকির মহিনউদ্দিন। ভন্ড মহিনউদ্দিন বান্দুরা ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের মৃত হামিজউদ্দিন মস্তানের ছেলে। স্থানীয় একাধিক যুবক জানান, মহিন ফকির প্রথমে মহিলাদের কাছে বিশ্বস্ততা অর্জন করতেন। এরপর কৌশলে তাদের সাথে যৌন মিলন করতেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী মহিলাদের ভয় দেখিয়ে একাধিকবার যৌন মিলনে বাধ্য করতেন। প্রতিবেশি হেনা বেগম বলেন, মহিন ফকির দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। তার কাছে আসা রোগিরা বেশিরভাগ মহিলা। আগে বৃহস্পতিবার তার দরবার শরীফে জলসা বসলেও এখন বসে না।

 সম্প্রতি মহিনউদ্দিন তার এক অন্ধ ভক্তের বোনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অসামাজিক কর্মকান্ড করতে বাধ্য করে এবং তার একাধিক ফোনালাপ রেকর্ড এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ফাঁস হয়ে যায় মাহিনউদ্দিনের সকল ভন্ডামী ও কুকর্ম । ইসলাম ধর্ম বিরোধী কিছু কথাও বলেছে মহিনউদ্দিন যা এলাকাবাসীকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। পরে স্থানীয় ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ভন্ড ফকির মহিউদ্দিনের আস্তানা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়। এবিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় মাহিনউদ্দিন ফকিরের বাড়িতে গ্রাম্য সালিশ বসে। এসময় ভন্ড ফকিরের সমস্ত অপকর্ম ও না জানা অনেক তথ্য জেনে যায় এলাকাবাসী । নিজের সকল কুকীর্তির কথা স্বীকার করে সকলের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করেন ভন্ড ফকির মহিনউদ্দিন,ভবিষ্যৎ এ ধরনের কাজ আর করবেন না বলেও জানান । উক্ত সালিশে বান্দুরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সামছুল হক, বান্দুরা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুস সামাদসহ গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Save



Related posts

মন্তব্য করুন