সর্বশেষ সংবাদ

দোহারে নতুন করে আরো ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঔষধ বিতরন

 আবুল হাশেম ফকির।

পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধিতে দোহার উপজেলায় গতকাল শুক্রবার থেকে নতুন করে আরো প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত দোহারের মাহমুদপুর ও বিলাশপুর ইউনিয়নের সব গ্রাম পানিতে তলিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

দোহারে নতুন করে আরো ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঔষধ বিতরন

শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ নারিশা,সুতারপাড়া,নয়াবাড়ী,মাহমুদপুর ও বিলাশপুর ইউনিয়নের প্লাবিত এলাকায় পানি বিশুদ্ধকরন ট্যাবলেট ও ঔষধ বিতরন করেন। সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার ঢাকা টু দোহার সড়কের পশ্চিম পাড় পদ্মা নদী তীরবর্তি এলাকা মুকসেদপুর,নারিশা,সুতারপাড়া,নয়াবাড়ী,মাহমুদপুর ও বিলাশপুর ইউনিয়নের গ্রামের ঘরবাড়ি ও বেশির ভাগ এলাকা বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। এছাড়া বানের পানিতে তলিয়ে গেছে মুকসেদপুর,নারিশা,সুতারপাড়া ও নয়াবাড়ীর ঢাকা টু দোহার সড়কের পশ্চিম পাড়ের গ্রাম ও রাস্তাঘাট। এসব ইউনিয়নে চলাচলের একমাত্র বাহন এখন নৌকাই ভরসা।সুতারপাড়া মধুরচর এলাকার বাসিন্দা হান্নান জানান, সকালে ঘুম থেকে জেগেই দেখি আমার ঘর তলিয়ে গেছে পানিতে।এভাবে পানি বাড়তে থাকলে পরিবার পরিজন নিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে হবে। মধূরচর আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দা রাহিমা বেগম বলেন, আমার স্বামী নেই। দুটি সন্ত্রান নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটছে। প্রতিদিন সাঁতরে বাজারে যেতে হয়। সাপের ভয়ও আছে। ঘরে খাবারও সংকট।ছেলেরা পানির কারণে দিনমজুরের কাজ করতে পারে না।বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে উচু স্থান ও স্থানীয় চেয়ারম্যানদের নির্দেশে(মাধ্যমিক স্কুল) বন্যাদূর্গত আশ্রায়নে আশ্রয় নিয়েছেন।গবাদিপশু ও হাঁস মুরগী রাস্তায় তুলে দেয়া হয়েছে। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম আল আমিন বলেন, আমরা দোহারের বন্যা কবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখছি এবং পানিবাহিত রোগ থেকে মা-শিশু ও তাদের পরিবারকে ঔষধ বিতরন করছি।প্রত্যেক দূর্গত এলাকায় স্থানীয় চেযারম্যানদেরকে নিয়ে বন্যাদূর্গত লোকজন ও গবাদি পশু দেখভালের দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে।দূর্যোগ মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত রয়েছি।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করা হবে।



Related posts

মন্তব্য করুন