সর্বশেষ সংবাদ

দোহারের মিনি কক্সবাজারে ঈদের ছুটির পঞ্চম দিনেও ছিলো পর্যটকদের উপচে পরা ভীড়

মোঃ আসাদ মাহমুদ

ঢাকার দোহার উপজেলার মিনি কক্সবাজারের খ্যাত মৈনট ঘাট সু-খ্যাতি অর্জন করে দেশের ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য পর্যটন এলাকায় পরিণত হয়েছে। তবে আশেপাশে তেমন কোনো পর্যটন বা বিনোদনে মনোনিবেশ করার জায়গা না থাকায় দিন-দিন এই জায়গাটিতে বাড়ছে ভ্রমন পিপাসুদের আনাগোনা। যেকোনো উৎসব বা দিবসে মিনি কক্সবাজারে ভীড় করে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ।

দোহারের মিনি কক্সবাজারে ঈদের ছুটির পঞ্চম দিনেও ছিলো পর্যটকদের উপচে পরা ভীড়

দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ঘুরতে আসা মানুষদের জন্য রয়েছে আইনশৃঙ্খলার সু-ব্যাবস্থা, রয়েছে ঘাট কতৃপক্ষ ও দোহার থানা পুলিশ ফাঁড়ির কড়া নজরদারী, রয়েছে আধুনিক খাবারের সু-ব্যাবস্থায় রেস্টুরেন্ট, ফাস্টফুড ও বাংলা খাবারের হোটেল, রয়েছে মটর সাইকেল পার্কিংয়ের সু-ব্যাবস্থা। ঈদের পঞ্চম দিন ঘুরে দেখা যায় হাজারোধিক পর্যটকদের ভীড়ে মুখরিত মৈনটঘাট তথা মিনি কক্সবাজার। কেউ বা প্রিয় মানুষের সাথে ছবি তোলা নিয়ে ব্যাস্ত, কেউ বাহারি আইটেমের খাবার খেয়ে করছে তৃপ্তি লাভ, কেউ মিনি কক্সবাজারের পদ্মানদীর পাড়ে গোসল করে তপ্ত গরমে পরিবারের বা প্রিয় মানুষটির সাথে আনন্দঘন মুহূর্ত সময় কাটাচ্ছে। পদ্মার প্রাকৃতিক কোলাহলের লিলাভুমিতে যেন আনন্দের কোনো কমতি নেই। দূর দুরন্ত থেকে আসা পরিবার-পরিজন ও প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে ঘুরতে আসা বিনোদন মুখী অনেকেই বলেন, যদি এই মিনি কক্সবাজার সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় একটু সু-দৃষ্টি পায় তবে এটি হয়ে উঠবে ঢাকা জেলার তথা বাংলাদেশের দ্বীতিয় বৃহওম পর্যটন এলাকা। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় খাতে আসবে কোটি-কোটি টাকার রাজস্ব আয়। উৎসুক জনতার নিরাপত্তার স্বার্থে পদ্মার পানির গভীরতা নির্নয় করে লাল কাপড় বা পতাকা টানিয়ে দেওয়া অতি জরুরী বলে মনে করেন-যাতে করে পানিতে নেমে কোনো রকম দুর্ঘটনা না ঘটে, মিনি কক্সবাজারের সিমানা নির্ধারন করে দেওয়ার পরামর্শ দেন অনেকেই। ঢাকা জেলা সহ আশেপাশে বেশকিছু জেলার নিকটতম হওয়াতে দোহারের এই মিনি কক্সবাজার ঢাকা থেকে সারাদিন আনন্দ উৎসব করার পরে আবার একই দিনে ২/৩ ঘন্টার মধ্যেই নীজবাড়ি ফিরতে পারায় পুরুষদের তুলনা নারী সংখ্যাই তুলনামূলক বেশি।তাই ভ্রমনপ্রিয় নারী-মহিলা গন মিনি কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলার কোনো ঘাটতি না থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি দুর-দুরান্ত থেকে আগত ভ্রমন পিপাসুগন জানান, সব কিছু সন্তোষজনক ও উৎসক মুখোর নিরাপত্তাময় পরিবেশ থাকায় ছুটি দিনগুলোতে একাধিক দিন-রাত পার করার জন্য একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আবাসিক হোটেল তৈরি করার জোরলো দাবী জানান। যাতে করে তারা তাদের আনন্দঘন মুহূর্তের সময় পরিবার-পরিজন, প্রিয় মানুষটি ও বন্ধু-বান্ধবের সাথে বেশ কিছুদিন কাটাঁতে পারে।

Save



Related posts

মন্তব্য করুন