সর্বশেষ সংবাদ

দোহারের মালিকান্দা মেঘুলা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বেহাল দশা

 

মোঃ আসাদ মাহমুদ

ঢাকার দোহার উপজেলার মালিকান্দা গ্রামে অবস্থিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গ্রামীণ ভিত্তিক জরুরী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র মালিকান্দা উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্র। স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে দুই জন ডাক্তার থাকলেও তারা ঠিক মত রোগীদের সেবা দেয়না, রোগীদের সাথে খারাপ আচরণ, পর্যাপ্ত পরিমাণে সরকারি ওষুধ থাকলেও রোগীদের দেওয়া হয় না, সরকার থেকে বেতন দিলেও রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়, পাশাপাশি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভেতরে অস্বাস্থ্যকর শৌচাগার, ময়লার জড়া-জীর্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে এমন সব অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি প্রিন্টিং মিডিয়ার এক দল সাংবাদিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে অনুসন্ধানে যায়। 

দোহারের মালিকান্দা মেঘুলা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বেহাল দশা

এখানে সুস্থ মানুষ এমনিতেই অসুস্থ হয়ে যাবে। পুরো স্বাস্থ্য কেন্দ্র ঘুরে পরিদর্শন শেষে শেষে সাংবাদিকগন যখন কেন্দ্রে কর্তব্যরত দুই চিকিৎসক প্রদীপ কুমার সরকার ও মঞ্জুরুল হক খানের সাথে কথা বলছিলেন ঠিক তখনই কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অফিসার ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জসীম উদ্দিন। পরে তিনি কেন্দ্রের সকল অবস্থা পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সকল অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, আমিও একই অভিযোগ শুনেছি আর তাই আজ সত্যতা যাচাই এসেছি, এসে সব তথ্য পেলাম। পরে তিনি অবস্থানরত অবস্থায় বেশ কয়েকটি রোগী দেখেন। এরপর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উন্নতির সার্থে কেন্দ্রের রোগীদের সুবিদার্থে কর্মরত ডাক্তাদের কিছু প্রস্তাবনা প্রদান করেন সেগুলো হলো, প্রতিমাসে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানগনের সভাপতিত্বে একটি সভা করতে হবে, প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার সকাল ১১:০০ থেকে ১২:০০ টা পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বা তার কোনো সরকারী প্রতিনিধি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এসে চিকিৎসা প্রদান করবেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যাগনের সহযোগীতায় বাহিরে রোগীদের বসার জন্য ব্যবস্থা করতে হবে, অথবা পঃপঃ কর্মকর্তাকে উপদেষ্টা কর্মকর্তা প্রদত্ত ফার্নিচারের ব্যাবস্থার জন্য অনুরোধ করতে হবে, প্রতিটি রোগীকে প্রেসক্রিপশন আকারে সেবা প্রদানে আদেশ করা হয়, দুটি দরজায় কাপড়ের পর্দার ব্যাবস্থা করতে হবে। সবশেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডাঃ জসীম উদ্দিন বলেন, এটি প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র নানান কারনে এর আগে ডাক্তারদের নিয়ে নানান অভিযোগ উঠে আসে এবং কেন্দ্রের বেহাল দশার তা কখনোই কাম্যনয় এ কারনে আমি নিজেই প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এসে চিকিৎসা প্রদান করবো, পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠান’কে একটি স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে আমি আপ্রান চেষ্টা করবো।



Related posts

মন্তব্য করুন