সর্বশেষ সংবাদ

দোহারে বায়নার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

 আবুল হাশেম ফকির।

ক্রেতাকে জমির দলিল না দিয়ে বায়নার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জমি বিক্রেতা আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। স্টাম্পে বায়না দলিল করে বাকি টাকা না নিয়ে জমি রেজিস্ট্রশন দিতে অস্বীকার করছে আনোয়ার হোসেন। এ নিয়ে দোহার থানায় ১২/০৯/১৭ তারিখে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন জমির ক্রেতা মো. ফজলুর রহমান ও লাল মিয়া।

দোহারে বায়নার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

এ নিয়ে দোহার উপজেলার সাব রেজিস্ট্রারের বরারর অত্র জমি অনত্র্য রেজিস্ট্রশন না করার অনুরোধ জানিয়ে আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী মো. ফজলুর রহমান ও লাল মিয়া। জানা যায় , বায়না বাবদ ফজলুর রহমান ও মো.লাল মিয়া নিকট হতে ১১ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে । বিপুল পরিমাণ টাকা দীর্ঘদিন ধরে আনোয়ার হোসেন নামে ব্যক্তির কাছে পড়ে থাকলেও এই জমি প্রাপ্তি এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে মো. আনোয়ারের ভূমিদস্যু ও নিজস্ব লাঠিয়ালবাহিনির হুমকিতে প্রাণনাষের আশঙ্কায় আছেন বলে মো. ফজলুর রহমান ও লাল মিয়া জানায় বায়না দলিল সূত্রে আছে, জমি রেজিস্ট্রিকৃত জমির খতিয়ান আর এস ৩৩৪, দাগ নং আর.এস ৪৪২/৪৪৬ জমির শ্রেণি নাল, বায়না কৃত সম্পত্তির পরিমান ১০ শতাংশ, ৫২ শতাংশ কাতে ২০ শতাংশ বায়না কৃত। মোট বায়না কৃত জমির পরিমান ৩০ শতাংশ। ফজলুর রহমান ও মো. লাল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ০৬/০৬/২০১৭ তারিখে ৩০০ টাকার নন জুডিসিয়াল ষ্টাম্পে ৩৭,৫০,০০০/- টাকা মূল্য ধার্য করিয়া ধার্যকৃত মূল্য হইতে ১০,০০,০০০/- টাকা দেওয়া হয় এবং পরে আরও অতিরিক্ত ১,০০০০০ টাকা দেওয়া হলেও বায়না বাবদ টাকা গ্রহন করিয়া অঙ্গিকার ও স্বীকার করে যে বায়নাকৃত তারিখ হইতে দুই মাস মেয়াদ এর মধ্যে বিক্রিত মূল্যেও বাকি টাকা বুজিয়া নিয়া বায়নাকৃত জমি রেজিস্ট্রি করিয়া দিতে আইনত বাধ্য থাকিবে। ফজলুর রহমান ও মো. লাল মিয়ার পরে নাল জমি সাফ কবলা বায়না করে নিলেও জমিটির মালিকানা বুঝে পাওয়ার জন্য ওই জমির মালিক আনোয়ার হোসেন জমির দলিল না করে তালবাহানা করছে বলে অভিযোগ করেন। আনোয়ার হোসেন বায়না কৃত জমি অন্যত্র বিক্রয় করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে বলে জমি ক্রেতারা ধারনা করছে। জমির ক্রেতা মো.ফজলুর রহমান ও লাল মিয়া জানান আমোদের একটি সাইন বোর্ড সাটানো ছিল জমি বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন তার লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেলে। এ ব্যাপারে দোহার থানায় বিগত ১২/০৯/২০১৭ তারিখে অভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ সিরাজুল ইসলাম বলেন, এবিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।



Related posts

মন্তব্য করুন