সর্বশেষ সংবাদ

তিন থেকে সাত বছরের জেল হতে পারে শাকিব খানের!

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক শাকিব খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন হবিগঞ্জের ইজাজুল। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি। এ মামলায় আরো আসামী করা হয়েছে ‘রাজনীতি’ সিনেমার পরিচালক বুলবুল বিশ্বাস ও প্রযোজক আশফাক আহমেদকেও। অভিযোগে বলা হয়েছে, ইজাজুলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নাম্বার তার বিনা অনুমতিতে ‘রাজনীতি’ সিনেমায় ব্যবহার করা হয়েছে। সিনেমায় তার ফোন নাম্বার শাকিব খানের কণ্ঠে শোনা যায়।

তিন থেকে সাত বছরের জেল হতে পারে শাকিব খানের!

এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে কি শাস্তি হতে পারে জানতে রাইজিংবিডির এই প্রতিবেদক কথা বলেন সুপ্রিমকোর্টের অ্যাডভোকেট ও চিত্রনায়ক আমান রেজার সঙ্গে। তিনি রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘দণ্ডবিধি ৪২০ আর ৫০০ ধারায় মামলা করা হয়েছে। ৪২০ ধারায় প্রতারণা মামলা। এতে অপরাধ প্রমাণিত হলে তিন বছর থেকে সর্ব্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের জেল হতে পারে। আর ৫০০ ধারা মানহানি মামলা। এতে অপরাধ প্রমাণিত হলে দুই বছরের জেল হতে পারে।’

জানা যায়, হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শম্পা জাহানের আদালতে গত রোববার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১টায় দায়ের করা হয় মামলাটি। মামলার কারণ হিসেবে জানানো হয়, বানিয়াচং উপজেলার যাত্রাপাশা গ্রামের ইজাজুল মিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নাম্বার বিনা অনুমতিতে শাকিব তার ‘রাজনীতি’ সিনেমায় ব্যবহার করেছেন। এতে ইজাজুল বিভিন্ন বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। এই অভিযোগে ৫০ লাখ টাকার মানহানির মামলা করেছেন তিনি।

এ মামলায় শাকিব খানকে ১ নাম্বার আসামী করা হয়। সিনেমাটির নির্মাতা বুলবুল বিশ্বাসকে ২ নাম্বার এবং প্রযোজক আসফাক আহমেদকে ৩ নাম্বার আসামী করা হয়েছে। গত ঈদুল ফিতরে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস অভিনীত ‘রাজনীতি’ সিনেমাটি মুক্তি পায়। সিনেমাটির একটি দৃশ্যে ইজাজুলের ব্যবহৃত গ্রামীণ ফোনের নাম্বারটি ব্যবহার করা হয়। সিনেমাটি মুক্তির পর ইজাজুলের নাম্বারে ফোন আসতে থাকে। খেসারত হিসেবে চাকরিও খোয়াতে হয় ইজাজুলকে। এখন কাজ না পেয়ে তিনি আর্থিক সংকটে ভুগছেন বলে জানা গেছে।



Related posts

মন্তব্য করুন