সর্বশেষ সংবাদ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কর্মীবান্ধব নেতারা আওয়ামী লীগের টিকিট পাবে , দুর্নীতিবাজ নেতারা বাদ যাবে

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি এক বছরের বেশি সময়। রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী বাছাই নিয়ে আলোচনা এখনও আতুড় ঘরেই। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে মাঠপর্যায়ে তোড়জোড় শুরু করেছে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। আর দলটির নেতারা বলছেন আগামী জাতীয় নির্বাচনে অপেক্ষাকৃত তরুণদের মনোনয়ন দেয়া হবে।

66666666666666666666666666666666666666666666666666666666666666666666666666666666666

একাধিক গুণসমৃদ্ধ প্রার্থীরা এবার মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন। এরমধ্যে যে নেতা বেশি জনসম্পৃক্ত ও কর্মীবান্ধব, তাকেই বেছে নেওয়া হবে।’ আগামী সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী তালিকায় থাকবে তরুণদের নাম। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই সাবেক ছাত্রলীগ, যুবলীগ, যুব মহিলালীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও বর্তমান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ-সমর্থিত বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারাও রয়েছেন এই দলে। পেশিশক্তি ও অর্থবিত্তের অধিকারীরা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন না। ক্ষমতাসীন দল থেকে মনোনয়ন পেতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই জন-সম্পৃক্ত হতে হবে। একইসঙ্গে মনোনয়ন-প্রত্যাশীকে হতে হবে শিক্ষিত-মার্জিত। থাকতে হবে ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাও। এসব গুণের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ত্যাগী-অভিজ্ঞ নেতারাই আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দৃষ্টিতে মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য হবেন। দলের বিভিন্ন ফোরামে নেতাদের উদ্দেশে এমন কথা জানিয়েছেন খোদ শেখ হাসিনাই। তিনি মনে করেন, আগামী নির্বাচন ভীষণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অন্যতম রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায়, এসব বিষয়কে ততটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ প্রায় নিশ্চিত বলেই ধরে নিয়েছেন শেখ হাসিনা। তাই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন-প্রত্যাশীদের ক্ষেত্রে উল্লিখিত গুণাবলি এক রকম বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।এ কারণে উল্লিখিত গুণাবলি না থাকলে দলের পক্ষে বিজয়ী হয়ে আসা কঠিন হবে। শেখ হাসিনার একাধিক ঘনিষ্ঠ সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সর্বশেষ সভায়ও শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি কাউকে জিতিয়ে আনতে পারব না। এবার যার যার যোগ্যতায় জিতে আসতে হবে।’ প্রচুর অর্থবিত্ত আছে, কিন্তু এলাকায় পরিচিতি নেই, জনসম্পৃক্ততা শূন্যের কোটায়, কর্মী-সমর্থকদের খোঁজ-খবর রাখেন না, এমন নেতাদের নৌকার মনোনয়ন দেবেন না আওয়ামী লীগ সভাপতি। ওই সভায় বর্তমান এমপি ও মনোনয়ন-প্রত্যাশীদের উদ্দেশে দলীয় তিনি আরও বলেছেন, ‘প্রত্যেককে স্ব-স্ব নির্বাচনি এলাকার পুরো ভোটার তালিকা হাতে নিয়ে প্রত্যেক ভোটারের কাছে যেতে হবে। তাদের কাছে ভোট চাইতে হবে। ভোটারদের দরজায় যেতে চিন্তা করা যাবে না, কে কোন দলের।’ জানতে চাইলে ক্ষমতাসীন দলটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘এবার দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে দু’টি বিষয়কে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। একটি হলো, মনোনয়ন-প্রত্যাশী নেতা কতটা জনসম্পৃক্ত। দ্বিতীয়টি হলো, মনোনয়ন-প্রত্যাশী নেতা কতটা স্থানীয় নেতাকর্মী-সমর্থকবান্ধব।’ তিনি বলেন, ‘প্রকৃত অর্থে জনপ্রিয় নেতাদের মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়া হবে।’ নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, প্রতিটি নির্বাচনেই প্রায় ১০০জন প্রার্থীর পরিবর্তন হয়। কিন্তু দশম জাতীয় নির্বাচন বিশেষ পরিস্থিতিতে হওয়ায় এ নির্বাচনে ৫০টি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন হয়। কিন্তু এবার প্রায় ১০০ আসন থেকেও বেশি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন হতে পারে এবং তা হবে। আওয়ামী লীগ নেতারা জানিয়েছেন, কিছু সংসদ সদস্য রয়েছেন, তাঁরা কয়েকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু এলাকায় তাঁর জনপ্রিয়তা ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে তেমন সম্পর্ক নেই। সেখানে আমাদের সাংগঠনিক অবস্থান মজবুত হলেও প্রার্থী পরিবর্তন হবে। নেতারা বলেন, বয়সের কারণে যারা বিভিন্ন রোগ-শোকে ভুগছেন তারাও এবার দলের মনোনয়ন পাবেন না। এছাড়াও যে সকল সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তাদের পরিবর্তীতে অপেক্ষাকৃত তরুণদের দল মনোনয়ন দিবে। ঢাকার আসনগুলোতে নতুনদের মধ্যে আলোচিত মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন:


ঢাকা-১ (দোহার ও নবাবগঞ্জ) আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় আছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুল মান্নান খান ও ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান।

ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ-কামরাঙ্গীরচর) আসনে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপির পাশাপাশি মনোনয়ন পেতে আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছে কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহিন আহমেদ।

ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ) আসনে একক প্রার্থী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

ঢাকা-৪ (শ্যামপুর-কদমতলী) আসনেও প্রার্থী দেবে আওয়ামী লীগ। বর্তমান এমপি জাতীয় পার্টির নেতা সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা। দলীয় একটি সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় পার্টি আরেকটি জোট গঠন করার কারণে, মহাজোট থেকে মনোনয়ন পাবে না বাবলা। এই আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পেতে দৌড়ে আছেন, আওয়ামী লীগ সভাপতির সাবেক ব্যক্তিগত সমন্বয়কারী ড. আওলাদ হোসেন, সংরক্ষিত আসনের এমপি সানজিদা খানম, শ্যামপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন। এ প্রসঙ্গে সানজিদা খানম বলেন, আমি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে নমিনেশন চাইব। কারণ আমি দুবার নৌকা প্রতীক পেয়েছি। আশা করি এবারও পাব।

ঢাকা-৫ (ডেমরা-যাত্রাবাড়ী) আসনের বর্তমান এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লা। দলীয় এক সূত্রে জানা গেছে, বয়সের ভারে ন্যুব্জ হওয়ায় একাদশ নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন নাও পেতে পারেন তিনি। সে ক্ষেত্রে যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ মুন্না এবং হাবিবুর রহমান মোল্লার ছেলে ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান সজলের সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকা-৬ (সূত্রাপুর-কোতোয়ালি) আসনে দলীয় প্রার্থী দিতে পারে আওয়ামী লীগ। বর্তমান এমপি জাতীয় পার্টির নেতা ফিরোজ রশিদ। সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় আছেন মহানগরের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, ওয়ারী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী আশিকুর রহমান লাভলু, সূত্রাপুর থানার সভাপতি হাজী মো. শাহিদ।

ঢাকা-৭ (লালবাগ-চকবাজার) আসনের বর্তমান এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিম। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেন তিনি। এদিকে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির, ২৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আলহাজ হাসিবুর রহমান মানিক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্মদ আকতার হোসেন।

ঢাকা-৮ (রমনা-মতিঝিল) আসনে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি আগামী নির্বাচনে পুনরায় মনোনয়ন পেতে পারেন। তবে এই আসনটিতে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার সম্ভাবনা আছে আওয়ামী লীগের। সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক কমিশনার কামাল চৌধুরী, মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আশরাফ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাঈল হোসেন সম্রাট এবং সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা কাউসারের নাম শোনা যাচ্ছে।

ঢাকা-৯ (মুগদা-সবুজবাগ) আসনে একক প্রার্থী সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি।

ঢাকা-১০ (ধানমন্ডি) আসনের একক প্রার্থী ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস এমপি।

ঢাকা-১১ (বাড্ডা-ভাটারা) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমতউল্লাহ। আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একক প্রার্থী তিনি। দলীয় একটি সূত্রে জানা গেছে, একাদশ নির্বাচনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে তাকেই বিবেচনা করা হবে। কারণ, এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন তিনি।

ঢাকা-১২ (তেজগাঁও) আসনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী থাকলেও আগামী সংসদ নির্বাচনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি দল থেকে মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। নির্বাচনী এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে তার।

ঢাকা-১৩ (মোহাম্মদপুর-আদাবর) আসনে আগামী নির্বাচনে বর্তমান এমপি, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবীর নানক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানের নাম শোনা যাচ্ছে।

ঢাকা-১৪ (মিরপুর-শাহআলী)  এ আসনে সংরক্ষিত আসনের এমপি ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী মহিলা যুবলীগের সভাপতি সাবিনা আকতার তুহিনের নাম উঠে এসেছে আলোচনায়।

ঢাকা-১৫ (কাফরুল) আসনে বর্তমান এমপি কামাল আহমেদ মজুমদার মনোনয়ন না পেল সেক্ষেত্রে আলোচনায় রয়েছেন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক গাজী মেজবাউল হক সাচ্ছু, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম জাহিদ, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি মাঈনুল হোসেন খান নিখিল, সাংসদ ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লার ভাই এখলাছ উদ্দিন মোল্লা, কাফরুল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ৪নং ওয়ার্ড কমিশনার আলহাজ জামাল মোস্তফা, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবমহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক লুৎফা খাতুন তাহেরা।

ঢাকা-১৬ (পল্লবী-রূপনগর) আসনে একাদশ নির্বাচনে বর্তমান এমপি ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লার মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সম্ভাব্য প্রার্থী মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এম এ মান্নান কচি, সাংগঠনিক সম্পাদক ফকির মহিউদ্দিন।

ঢাকা-১৭ (গুলশান-ক্যান্টনমেন্ট) আসনে প্রার্থী দেবে আওয়ামী লীগ। সেক্ষেত্রে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান এমপির নাম শোনা যাচ্ছে। তবে তিনি গোপালগঞ্জ-১ থেকেই নির্বাচন করবেন। ওখানে পরপর চারবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী রয়েছেন ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক গুলশান থানার সভাপতি ওয়াকিল উদ্দিন ও ২০নং ওয়ার্ড কমিশনার নাসির উদ্দিন।

ঢাকা-১৮ (উত্তরা) আসনে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি পুনরায় মনোনয়ন পেতে পারেন বলে দলীয় এক সূত্রে জানা গেছে। এই আসনটিতে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় আরো ৫জন প্রার্থী রয়েছে।

ঢাকা-১৯ (সাভার) আসনে দলটির প্রার্থী পরিবর্তন আসতে পারে। ঘুরেফিরে সাবেক এমপি তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে বর্তমান এমপি এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. এনামূর রহমানও আলোচনায় রয়েছেন।

ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনেও পরিবর্তন আসতে পারে। এই আসনটির বর্তমান এমপি ধামরাই থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মালেক। এই আসনটিতে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় একাধিক প্রভাবশালী নেতা রয়েছে।

Save



Related posts

মন্তব্য করুন