সর্বশেষ সংবাদ

দোহারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে মাছ ধরার বাঁধটি উচ্ছেদ

নিজস্ব সংবাদদাতা

ঢাকা জেলা দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের নারিশা জোয়ার এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে একটি মহল মাছ শিকার করতো। স্থানীয় জেলেদের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১৩ নভেম্বর সোমবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন তাহা ভেঙ্গে দিয়েছে।

দোহারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে মাছ ধরার বাঁধটি উচ্ছেদ

স্থানীয় ও প্রশাসন সুত্রে জানা যায়,নারিশা জোয়ার নামে যে গ্রামটি রয়েছে সেই গ্রামের সবাই গরিব এবং মাছ শিকার করাই তাদের একমাত্র পেশা। পদ্মার একটি শাখা নদীতে দীর্ঘদিন যাবত একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে বাশের খুটি দিয়ে বাঁধ দিয়ে মাছ ধরার প্রেক্ষিতে স্থানীয় জেলেরা তাদের পেশীশক্তিরর কাছে জিম্মি হয়ে থাকতো। তারই প্রেক্ষিতে স্থানীয় জেলেরা উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী কর্মকর্তা কে,এম,আল-আমীনের নিকট লিখিত অভিযোগ করলে তা আমলে নিয়ে মৎস্য বিভাগ,থানা পুলিশ ও স্থানীয় চেয়ারম্যান, মিডিয়াকে সাথে নিয়ে গত ১৩ নভেম্বর সোমবার দুপুরবেলা উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু করেন। এই উচ্ছেদ ২ঘন্টা সময়কাল চলে। এসময় স্থানীয় জেলেরা অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় কাজীনূর নামে এক জলদস্যু ও সন্ত্রাসী আমাদের জিম্মি করে মাছ শিকার করতো। আজ ইউএনও স্যারের দয়ায় ছেলে মেয়ে নিয়ে বাঁচার সুযোগ হলো। তবে আমরা ভয়ভীতিতে জীবন যাপন করতেছি। আপনি আমাদের দিকে খেয়াল রাখবেন। পরে সর্বক্ষণ মোবাইল ফোনে যোগাযোগব্যবস্থা থাকবে বলে আশ্বাস দেন।জেলেরা বাঁধ ভাঙ্গার কাজে সহায়তা করেন। পরে বাঁধের সবগুলি বাশ মৎস্য বিভাগের অধিনে জমা করা হয়। এসময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে,এম,আল-আমীনের উপস্থিতিতে এই উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন দরাণি,নয়াবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ হান্নান, মৎস্য কর্মকর্তা আ.মান্নান খান,দোহার থানা (ওসি তদন্ত) ইয়াছিন মুন্সী,এসআই বজলুর রহমান ও তার সঙ্গীয় ফোর্স,কুতুবপুর নৌ-ফাঁড়ীর ইনচার্জ মো.ফরহাদ আলম,২৪খবর ও আগামীর সময়ের উপ-সম্পাদক আবুল হাশেম ফকির প্রমুখ।



Related posts

মন্তব্য করুন