সর্বশেষ সংবাদ

ধর্ষণের চেষ্টাকারী ৩ জনকে পুলিশে দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

সিরাজদীখানে এক স্কুল ছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণের চেষ্টা মামলায় ৩ আসামীকে রবিবার রাতে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দিলেন সিরাজদীখান উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ। সোমবার গ্রেপ্তারকৃত ৩ আসামীকে মুন্সীগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ধর্ষণের চেষ্টাকারী ৩ জনকে পুলিশে দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

জানা যায়,গত ১৭ ই নভেম্বর শুক্রবার উপজেলার মালখানগর ইউনিয়নের ফুরশাইল গ্রামে মামার বাড়ির পাশে স্বজনদের সাথে একনাম কীর্তনে যায় ওই ছাত্রী। রাত ৮ টার দিকে পাশেই বান্ধবীর বাড়ি যাওয়ার পথে, ফুরশাইল গ্রামের হারুন শেখের বখাটে ছেলে রবিন শেখ (২৪) মেয়েটিকে মুখ চেপে ধরে জঙ্গলের দিকে টেনে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় মেয়েটি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে বখাটে রবিন পালিয়ে যায়। স্থানীয় ভাবে ঘটনাটি ধামাচাপার চেষ্টা করে একটি পক্ষ। বিষয়টি এক পর্যায় উপজেলার বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচিত হয়। পরে সিরাজদীখান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মহিউদ্দিনের সহযোগীতায় গত রবিবার বিকালে মেয়েটির মা বাদী হয়ে সিরাজদীখান থানায় মামলা করেন এবং রবিবার রাতেই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পুলিশ সাথে নিয়ে বখাটে রবিনকে তার বাড়ি থেকে ধরিয়ে দেয়। এসময় রবিনের কথামতে তার সহযোগী আরও দুইজন ফুরশাইল গ্রামের দিলিপ ঘোষের ছেলে দেবু ঘোষ ও গোড়াপীপাড়া গ্রামের হাসান মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

উল্লেখ্য গত ২ বছর আগে বখাটে রবিন ফুরশাইল মাজারে উরশ চলাকালীন সময় রাতে ২য় শ্রেণির এক ছাত্রিকে ধর্ষনের চেষ্টা করলে হাতে নাতে ধরা পরে পরে স্থানীয় ভাবে শালিশ মিমাংসা করা হয়েছিল।

উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন,‘বখাটে রবিনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আমার কাছে এসেছে তাই আমি পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছি ।’

সিরাজদীখান থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. আবুল কালাম জানান, ‘ছাত্রীর মায়ের মামলার প্রেক্ষিতে ৩ জন বখাটেকে গ্রেপ্তার করে মুন্সীগঞ্জ আদলতে পাঠানো হয়েছে।’



Related posts

মন্তব্য করুন