সর্বশেষ সংবাদ

দুঃসময়ের কাণ্ডারিরা বেঁচে থাকে ইতিহাসের অংশ হয়ে, যা অর্জন করতে হয়, কেনা যায়না।

এক জন ভক্তেের কিছু কথা: মায়নুল ইসলাম

৯১ এর শুরু থেকে ৯৯ এর শেষ পর্যন্ত আমার জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা। জড়িত ছিলাম সক্রীয় রাজনীতিতে। ৯১-৯৬ এর মার্চ পর্যন্ত বিএনপি অধ্যুষিত নবাবগঞ্জে সম্মুখীন হয়েছি আনেক প্রতিকুলতার।

দুঃসময়ের কাণ্ডারিরা বেঁচে থাকে ইতিহাসের অংশ হয়ে, যা অর্জন করতে হয়, কেনা যায়না।

ততকালিন থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এই বাতেন ভাই ই ছিলেন আমাদের প্রকৃত রাজনৈতিক অভিভাবক। সাহস,অর্থ,সমস্ত মামলা হামলার ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতার একমাত্র ভরসা ছিলেন বাতেন ভাই। অথচ তার ছিলনা সেইরকম বিত্ত ভৈরব। সেই দুর্দিনে পাশে ছিলনা কোন শিল্প গ্রুপ।মাঝে মাঝে ভাবি– ঐ সময় তৃণমূলে এদের মতো নেতৃত্ব না থাকলে নৌকা কি কখনও তীরে ভিড়তো? মনে পড়ে ••মতি কাকা, হাশেম ভাই,মমমতাজ ভাই,নুরু ভাই,দারু ভাই,খন্দকার হারুন ভাই মীর কাসেম ভাই,ফকু ভাই সহ অনেককেই।
জানি জনপ্রতিনিধি হতে না পারার দুঃখ আছে এবং সেটাই স্বাভাবিক কিন্তু মনে রাখবেন দুঃসময়ের কাণ্ডারিরা বেঁচে থাকে ইতিহাসের অংশ হয়ে, যা অর্জন করতে হয়, কেনা যায়না।



Related posts

মন্তব্য করুন