সর্বশেষ সংবাদ

নয়নশ্রী তহশিল অফিস নিয়ে সাধালণ মানুেষর ভাবনা

 

 

Brand Bazaar

রাশিম মোল্লা:

গত কয়েকদিন ধরে নবাবগঞ্জের নয়নশ্রীতে চলছে ভূমি অফিস নিয়ে চলছে নানা বিতর্ক। কেউ বলছেন বাংলাবাজার। কেউ বলছেন চর তুইতাল। আবার কেউ দাবি করছেন রাহুতহাটি কিংবা ইউপি অফিসের কাছাকাছি । নানা জনের নানা মত। কেউ আবার ফেসবুকে নয়নশ্রী ইউনিয়নের ম্যাপ একে যুক্তি দেখাচ্ছেন বাংলাবাজার নয়নশ্রীর মধ্যবর্তী স্থান। সো নয়নশ্রীর ভূমি অফিস হবে বাংলা বাজার। চর তুইতালের এক ফেসবুকার ওই ম্যাপের ভুল ধরিয়ে বলছেন নয়নশ্রীর মধ্যবর্তী স্থান চর তুইতাল।

নয়নশ্রী তহশিল অফিস নিয়ে সাধালণ মানুেষর ভাবনা

অথচ চর তুইতালের নাম নেই। পরিকল্পিতভাবে ম্যাপ থেকে চর তুইতালের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দাবি আদায়ে কেউ কেউ আবার নয়নশ্রী ইউনিয়নকে দুই ভাগ করেছেন। একটি নয়নশ্রী উত্তর অন্যটি নয়নশ্রী দক্ষিণ। ফেসবুক অপেন করলেই দেখা যায় ভূমি অফিস নিয়ে নানা যুক্তি। এরই মধ্যে নয়নশ্রী উত্তরের কুয়েত প্রবাসী ভাই’রা ভূসি অফিস বাংলাবাজার করতে কুয়েতে মানববন্ধন করছেন। তাদের এমন সচেতনতায় দেশের লোকজন পজিটিভ মনে করছেন। তবে ক্ষোভও প্রকাশ করছেন। নয়নশ্রীর এতসব সমস্যা থাকতে ঠুনকো বিষয়ে মানবন্ধন! বান্দুরা ব্রিজে জ্যঅমের কারণে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতে হয়। তা নিরসনে নেই কোন মানববন্ধন কিংবা স্বারকলিপি। যারা এসব কেেছন তারা মোটেও ভাল করছেন না। তারা কি প্রবাসে নিজ ইউনিয়ন বাসিন্দাদের মধ্যে ঝগড়া লাগাতে চায়। এর আগে নয়নশ্রী দক্ষিণের লোকজন ইউপি অফিসের পাশে কিংবা রাহুতহাটি ভূমি অফিস করার জন্য মানবন্ধন, ভূমি অফিস ঘেরাও ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্বারলিপিও প্রদান করেছে। দু’পক্ষের এই যখন পরিস্থিতি। তখন সাধারণ জনগণ কি মনে করছেন। আসুন জানি তারা কি ভাবছেন। এই বিষয়ে গত কয়েকদিন দুই অঞ্চলের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা যা বলছেন- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রবাসী। বাড়ি তার নয়নশ্রীর বাহ্রা। তার সঙ্গে কথা হয় ভূমি অফিস কোথায় হলে ভালো হয়। তিনি বলেন, গত কয়েক বছর আগে একটি জমি রেজিস্ট্রি করতে গেছিলাম নবাবগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রি অফিসে। আমরা দু‘পক্ষই পুরো প্রস্তুতি নিয়ে যাই। যেই রেজিস্ট্রি অফিসে ঢুকলাম। সেই রেজিস্টার কাগজপত্র দেখে বললেন, আপনার জমির খাজনা বাকি রয়েছে। তখন বেলা ১২ টা। ওই মুহুর্তে কি করা যায়। দ্রুত চলে যাই বান্দুরা তহশিল অফিসে। খাজনা দিয়ে ১ টার মধ্যে চলে আসি নবাবগঞ্জে। অনেক অনুনয় বিনয়ের পর রেজিস্টার সাহেব ওই দিনই জমিটা রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করেন। তহশিল অফিসাট যদি বান্দুরা না হয়ে বাংলা বাজার হতো তাহলে সেদিন কি আর আমার জমিটা রেজিস্ট্রি হতো না। আর ওই দিন জমিটি রেজিস্টি করতে না পারলে আমাকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হতো। বাংলা বাজার এলাকার এক শিক্ষক বলেন, মানুষ সাধারণত ভূমি অফিসে কখন যায়? আসলে জমির পর্চা ও খাজনা পরিশোধের জন্য যেতে হয় তহশিল অফিসে। আর এসব কিছু কখন লাগে। যখন কেউ জমি ক্রয়-বিক্রয় করতে ইচ্ছুক। আর জমি ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য যেতে হয় নবাবগঞ্জ রেজিস্ট্রি অফিসে । অতএব মানুষের সুবিধা কথা চিন্তা করলে নবাবগঞ্জের আশপাশে ভূমি অফিস হওয়াটা দরকার। সেটি যেহেতু সম্ভব নয়। সেহেতু নবাবগঞ্জের অপেক্ষাকৃত নিকটে নয়নশ্রী ইউপি অফিসের কাছে হলেই সবচেয়ে ভালো হয়।



Related posts

মন্তব্য করুন