সর্বশেষ সংবাদ

দোহারে মাধ্যমিক শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম ও দূর্নীতির তদন্তে প্রশাসন

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি

ঢাকার দোহার উপজেলায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতির বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত শুরু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে তদন্ত কমিটি।

দোহারে মাধ্যমিক শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম ও দূর্নীতির তদন্তে প্রশাসন

গত ২ ডিসেম্বর উপজেলার ইসলামাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনের রাস্তায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন এবং ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্নীতির প্রতিবাদে এ মানববন্ধন পালন করা হয়। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদটি প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজর কাড়ে উপজেলা প্রশাসনের। এ ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তাতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. লিয়াকত হোসেনকে প্রধান এবং দুই ইউপি চেয়ারম্যান মো. সালাউদ্দিন দরানী ও সুরুজ বেপারীকে সদস্য করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সাক্ষ্য প্রমাণে তদন্ত কমিটি প্রধান শিক্ষক নুরে আলম সিদ্দিকীর ও পরিচালনা কমিটির নির্বাহী সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের সত্যতা পায়।

প্রধান শিক্ষক নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, একটি মেয়ে শারীরিক অসুস্থতার কারণে দুটি পরীক্ষা দিতে পারেনি। পরে কমিটির সবার অনুরোধে তাকে বিশেষ বিবেচনায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। এখানে কোনো অনিয়ম হয়নি। কোচিং বাণিজ্যে জড়িত এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘ম্যানেজিং কমিটির প্রভাবশালী সদস্যের মালিকানায় চলছে কোচিং সেন্টার। আমার কী করার আছে বলুন।’ পরিচালনা পর্যদের সদস্য ও ইজি ম্যাথড টিউটোরিয়াল কোচিং সেন্টারের মালিক আ. মতিন জানান, ‘কোচিং সেন্টার বন্ধে যে আইন পাস করা হয়েছে তা আমি ভালোভাবেই জানি। প্রশাসনের কেউ ডাকলে তা পরে দেখা যাবে।’ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. লিয়াকত হোসেন  জানান, অনিয়মের তদন্ত চলছে। আগামী রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম আল-আমিন সাহেবের কাছে লিখিতভাবে সব উপস্থাপন করা হবে। প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইউএনও কেএম আল-আমীন বলেন, বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



Related posts

মন্তব্য করুন