সর্বশেষ সংবাদ

২০ লাখ নতুন ভোটারের জন্মদিন ১ জানুয়ারি!

পবিত্র রমজান হচ্ছে মুসমানদের জন্য রোজা পালন, দান-দক্ষিণা ও আল্লার ইবাদত-বন্দেগী করার মাস। তবে পশ্চিম চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের গ্রাম ও শহরের মুসলমানদের জন্য রমজান মাস হচ্ছে ভয়, নির্যাতন এবং সহিংসতার মাস।

এখানকার বাসিন্দারা বলছেন, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে চীনের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে মূলত পশ্চিম চীনের রক্ষণশীল মুসলমানদের বিরুদ্ধে।

পুরো রমজান মাস জুড়েই পুলিশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে পবিত্র কুরআন শরিফ, মহিলাদের বোরখা ইত্যাদি খোঁজ করে সেগুলো ছিনিয়ে নেয়। বোরখা পরা মহিলাদের নির্বিচারে আটক করা হয়, সামান্যতম অজুহাতে অল্পবয়স্ক তরুণদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এখানকার বাসিন্দারা জানান, স্কুল কলেজের মুসলিম ছাত্রছাত্রী ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের রোজা রাখার পরিবর্তে খেতে বাধ্য করা হয়। শুক্রবারে জুমার নামাজের পরিবর্তে তাদেরকে কাজে যোগদান এবং ক্লাস করতে চাপ প্রয়োগ করা হয়।

ধর্মীয় নির্যাতনের কারণেই এখানে চাপা অসন্তোষের সৃষ্টি হয় এবং তা একসময় মারাত্মক প্রতিবাদে রুপ নেয়।

প্রকাশিত এক রির্পোট হতে জানা যায়, আলাকোগা ও ইলিশকো শহরে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পুলিশ ক্ষুব্ধ জনতার উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে বহু মানুষকে হত্যা করে। এরপর থেকেই চীনা কর্তৃপক্ষ উভয় শহরের অবস্থা নিয়ে কোনো ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করে।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জিনজিয়াং প্রদেশে চীনা পুলিশ রমজানের ধর্মীয় আচার পালনে বাধা প্রদানসহ দাড়ি রাখা পুরূষ ও ঘোমটা পরিহিত মহিলাদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করে।

ইলিশকোর চারপাশে তল্লাশি চৌকি স্থাপন করা হয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের একটি টীমকে শাচী জেলার একটি তল্লাশি চৌকি থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়, যে তল্লাসি চৌকিটিতে সেনাবাহিনীর কযেকটি ট্রাক অবস্থান করছিল।



Related posts

মন্তব্য করুন